সাতক্ষীরায় শ্রমিকের অধিকার ও শোভন কাজ বিষয়ে সংলাপ সভা


178 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় শ্রমিকের অধিকার ও শোভন কাজ বিষয়ে সংলাপ সভা
জুন ২৯, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল আলম মুন্না ::

শনিবার বিকাল ৪ টায় সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের হলরুমে, একশন এইড বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং হেড সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এ্যাকশন ফর ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় শ্রমিকদের অধিকার ও শোভন কাজ বিষয়ে এক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন হেড সংস্থার নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন। এ্যাকশন ফর ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী শেখ আহছানুল ইসলামের সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন বরসা’র সহকারী পরিচালক মোঃ নাজমুল আলম মুন্না, হোটেল মালিক ওয়াছি উদ্দীন খাঁ, উন্নয়ন সংগঠক মোঃ আজিজুর রহমান ও সাতক্ষীরা জেলা ইমারত শ্রমীক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন।
সভায় কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের সমস্যা ও সমাধানের প্রস্তাবনা বিষয়ক কিনোট পেপার উপস্থাপন করেন যুব সদস্য বিশ্বজিৎ সরকার। তথ্য থেকে জানা যায় বাংলাদেশ তার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র বিমোচন ও প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারের জন্য বিশ্বে বহুল প্রসংসা অর্জন করেছে। কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে এমন দেশে ৮২.৪% কর্মসংস্থান অ-প্রাতিষ্ঠানিক খাতের উপর নির্ভরশীল যা দেশের শ্রম আইনের আওতাভুক্ত নয়। অ-প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমীকরা যেমন শ্রম আইনে বর্ণিত আইনি সুরক্ষা ও কর্মনীতিমালা হতে বঞ্চিত রয়েছে, একইভাবে অ-প্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমীকদের অধিকার রক্ষায় সরকারী ত্বত্তাবধানের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের দেশের অ-প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরের শ্রমীকদের নিয়োগ পত্র দেয়া হয়না, নিদ্রিষ্ট কর্মঘন্টার অতিরিক্ত কাজ করানো, কিন্তু কোন ওভার টাইম দেয়া হয়না, বেতন-বোনাস সময়মত না দেয়া, সাপ্তাহিক ছুটি না দেয়া, তাদের ঝুকিপূর্ণ কাজের নিরাপত্তার মধ্যে কাজ করে জীবন বিপন্ন হচ্ছে এছাড়া মাহাজনদের দাদনপ্রথাসহ অসংখ্য সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন।

লক্ষনীয় যে, ২০৩০ সালের মধ্যে (এসডিজি) টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রার ৮ নং লক্ষ্য-শোভন কাজ বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু মাত্র প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে শোভন কাজ বাস্তবায়নের পাশাপািশ অ-প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরের শ্রমিকদেরও এর আওতায় আনা জরুরী বলে মনে করেন। সুতরাং তাদেরকেও শোভন কাজের আওতায় নিয়ে আসতে পারলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সফল করা সম্ভব হবে। সংলাপে রং পালিশ, লেদ/ওয়ার্কশপ, দর্জি, ইলেক্টনিক্স, ইলেক্ট্রিশিয়ান, হোটেল, টেইলারিং, ফার্নিচার, পরিবহন ও ইমারত শ্রমীকরা অংশগ্রহন করেন।

#