সাতক্ষীরায় ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যহতি পেতে সংবাদ সম্মেলন


312 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যহতি পেতে সংবাদ সম্মেলন
ডিসেম্বর ১৯, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক আইনজীবী সহকারী। শনিবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন পুরাতন সাতক্ষীরার আইনজীবী সহকারি শেখ কামরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কামরুল বলেন,পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে তার স্ত্রী শারমিন সুলতানা (শান্তা) একমাত্র সন্তান সোহানকে নিয়ে সোনার গহনাপাতিসহ ৪ অক্টোবর বাপের বাড়ি পালিয়ে যায়। ৬ অক্টোবর আমি বাদি হয়ে তিনি নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট আদালতে ১০০ ধারায় স্ত্রী ও বাচ্চা উদ্ধারের মামলা করেন। ১০ অক্টোবর শারমিন তার (কামরুল) বাড়ির সামনে রাস্তার উপর বাচ্চা রেখে তালাকনামা পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে চলে যায়। বাধ্য হয়ে তিনি খোরপোষের টাকাসহ গত ১১ অক্টোবর তালাকনামা পাঠিয়ে দেন স্ত্রীর বাপের বাড়ির ঠিকানায়। ২৭ অক্টোবর তিনি স্ত্রী ও বাচ্চা উদ্ধারের মামলা প্রত্যাহার করে নেন। ২১ অক্টোবর শারমিন সুলতানা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে বাচ্চা উদ্ধারের মামলা করে। মামলায় ঘটনার তারিখ ৫ অক্টোবর দেখানো হয়। যা আজো চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করা হয়,শারমিন সুলতানা ২৩ অক্টোবরে দু’ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতনের অভিযোগে গত ২৫ নভেম্বর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা (৩২নং) দায়ের করে। মামলায় তাকেসহ পা্চঁজনকে আসামী শ্রেণীভুক্ত করা হয়। ২৬ নভেম্বর কেবলমাত্র তাকে আসামী করে ২ অক্টোবর এক লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা (সিআর-৮৪১/১৫) করে শারমিন। বাদি বিচারক মহিবুল হাসানের কাছে ২০০ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার তারিখ ২ নভেম্বর বলে উল্লেখ করে। বিচারক আসামীর বিরুদ্ধে শমন জারির নির্দেশ দেন। ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায়  মোবাইল ফোনে ডেকে থানায় এনে এসআই অর্পণা বিশ্বাস তাকে (কামরুল) গ্রেফতার দেখান। গত ৯ ডিসেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পাই। সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করা হয়,গত ১৬ ডিসেম্বর কামরুল তার ফুফুর বাড়ি কালীগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামে যাওয়ার সময় মৌতলা বাজারে পৌঁছাইলে সন্ধ্যায় শারমিন সুলতানার ভগ্নিপতি ফারুখ হোসেনসহ কয়েকজন তাকে ডেকে নিয়ে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখে। পরে ফারুকসহ কয়েকজন তাকে মামলা তুলে নিতে বলে। রাজী না হওয়ায় তাকে মারপিট করা হয়। পরে হত্যার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে ইচ্ছামত লিখতে বাধ্য করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।  এ ঘটনায় পরদিন তিনি ১৭ ডিসেম্বর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলার খবর জানতে পেরে ফারুখ হোসেনসহ কয়েকজন তাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এমনকি শারমিনকে দিয়ে  কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে নতুন করে হয়রানিমূলক মামলা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কামরুল ইসলাম নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে অব্যহতি পাওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, আইজিপি ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে শারমিন সুলতানা জানান, তার বাচ্চা কেড়ে রেখে দেওয়া ও নির্যাতনের ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন। স্থানীয়রা কামরুলকে ডেকে বাচ্চা ফেরৎ দেওয়ার জন্য বললে সে নিজে লিখে দিয়েছে।#