সাতক্ষীরায় সাংবাদিক ইয়ারব হত্যা প্রচেষ্টা মামলা পুন:তদন্তের নির্দেশ


291 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় সাংবাদিক ইয়ারব হত্যা প্রচেষ্টা মামলা পুন:তদন্তের নির্দেশ
আগস্ট ১৬, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরার বহুল আলোচিত সাংবাদিক ইয়ারব হোসেনেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা মামলাটি পুন:তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার বাদির আবেদনের পেক্ষিতে রোববার  সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নিতাই চন্দ্র সাহা এই নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার বাদি, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেনের ভাই আবু সিদ্দিক জানান, ৩০ নভেম্বর  সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তার ভাই  পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য  সাতক্ষীরা সদর উপজেলা তুজলপুর গ্রামের বাড়ী থেকে রওনা হন । সকাল ১০ টার দিকে  আখড়াখোলা –সাতক্ষীরা সড়কের  পথিমধ্যে দেবনগর গ্রামের ভিতরে পৌছালে  মটর সাইকেল থেকে নামিয়ে জামায়াত শিবিরের ক্যাডারা তার উপর হামলা চালায়। তার ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে ও হাত ও পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। নিশ্চিত মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয় রাস্তার ধারে। পরে তারা ইয়ারব হোসেনকে একটি ভ্যানে তুলে তার বাড়িতে পাঠায়। ভ্যানে তার পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়। ঘটনাটি দ্রত  সাতক্ষীরা সাংবাদিকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদ কর্মীরা  তাৎক্ষনিকভাবে আইনশৃখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহয়েগিতায়  তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে মুমুর্ষ অবস্তায় ভর্তি করে । দীর্ঘ ১ মাস ৬ দিন হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে আসে। বর্তমানে সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন ভারতের দুটি বে-সরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসা গ্রহন করছেন। এখনো পর্যন্ত স¦াভাবিক ভাবে চলা ফেরা করতে পারেনা ।
ঘটনায় জেলাব্যাপি আলোড়ন সৃষ্টি করে । শুরু হয় সাংবাদিকদের কঠোর আন্দোলন । স্বারকলিপি দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর । সাংবাদিকরা কয়েক দফা মানবন্ধন করেন হামলার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে।
মামলার বাদি অভিযোগ করে বলেন, ২০ জুলাই পুলিশ সাংবাদিকদের আন্দোলনের মুখে গত ৩ জুন তদন্ত কর্মকর্তা হাত ঘুরে মামলাটি তড়িঘড়ি করে দায়সারাভাবে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে সদর থানার এসআই লুৎফর রহমান।মামলার তদন্ত কর্মকর্তরা হামলার শিকার সাংবাদিক ইয়ারব হোসেনের রক্তমাখা প্যান্ট ও আস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি। মামলার প্রধান আসামিকে কোন প্রকাার রিমান্ডে নিয়ে হামলার রহস্য উদঘাটন করেনি। কারা এই হামলার সাথে জড়িত ছিল তাদেরকে সনাক্ত করা হয়নি। মামলায় মেডিকেল অফিসারকে স্বাক্ষী করা হয়নি। দেয়া হয়নি মেডিকেল রিপোর্ট।  পুলিশ চার্জশিট দেওয়ার সময় বাদীর কোন মতামত গহন করেনি ।সাংবাদিক ইয়ারব হোসেনের সাথে কোন কথা বলেনি তদন্ত কর্মকর্তা। চার্জশিটের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মামলার বাদী আবু সিদ্দিক আদালতে নারাজী পিটিশন দাখিল করেছে মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য ।  আদালত না রাজি আবেদনটি রোববার শুনানির পর মামলাটি পুন:তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে।