সাতক্ষীরায় স্বামীর নামে মিথ্যা হায়রানি মূলক মামলা প্রত্যহারের দাবী অসহায় মহিলার


324 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় স্বামীর নামে মিথ্যা হায়রানি মূলক মামলা প্রত্যহারের দাবী অসহায় মহিলার
অক্টোবর ২২, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রপোর্টার :
স্বামীর নামে ও নিজের নামে শহরের কুখ্যাত সেলিম বাহিনীর দেয়া মিথ্যা হায়রানি মূলক মামলা ও ষড়যন্ত্রের ফাঁদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অসহায় মহিলা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে শহরের ইটাগাছা গ্রামের মাহমুদ হোসেনের স্ত্রী নাহার পারভীন। এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,আমি কালিগঞ্জ উপজেলার শহীদুল ইসলামের কন্যা।
গত ১২ বছর পূর্বে সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা গ্রামের মৃত: শেখ মোহাম্মাদ হোসেনের সেঝ ছেলে খুরশিদ আলমের সাথে আমার পরিবারিকভাবে বিবাহ হয়। দীর্ঘ ৭ বছর যাবত আমরা ঘর সংসার করি। কিন্তু ২০১১ সালে আমার স্বামী খুরশিদ আলম মৃতবরণ করেন। তার ঔরশে আমার ২ টা ছেলে সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। এরপর আমার ২ সন্তানদের কথা চিন্তা করে আমার শ্বশ্বর বাড়ির লোকজন আমার স্বামীর ভাই আমার দেবর শেখ মাহমুদ হোসেনের সাথে বিবাহ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আমি আমার ২ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাদের কথায় রাজি হয়ে যায়। কারণ আমার ছেলে ২টা বাবার ও বাবা পেল আর আমি পেলাম আশ্রয়। আমার স্বামী মৃত্যুর সময়ে কিছু জমি রেখে যান তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি উপর মার্কেটে রয়েছে। আমার সাথে মাহমুদ হোসেনের সাথে বিবাহের পর তিনি আমার স্বামীর সম্পত্তি দেখা শুনা করতে থাকেন। কিন্তু আমার উপর কুনজর পড়ে একই এলাকার মৃত সৈয়দ আব্দুল আজিমের ছেলে সৈয়দ সেলিম হোসেনের। তাছাড়া আমার স্বামীর সম্পত্তিও গ্রাস করতে মরিয়া ওঠে সেলিম। আমার দেবর মাহমুদের সাথে বিবাহ সম্পন্ন হওয়ায় সে তার অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিল করতে না পেরে আমাকে ও আমার বর্তমান স্বামী মাহমুদকে জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাতে থাকে। এরআগেও সেলিম ও তার লোকজন আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। এরপরও সেলিম থেমে থাকেনি। আমার বর্তমান স্বামীর নামে চীফ জুডিশিয়াল আদালতে ১টি মিথ্যা ছিনতাই মামলা দায়ের করে। উল্লেখ্য ওই মামলায় যেদিন ঘটনার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন জাতির জনকের শাহাদত বার্ষিকী ছিলো। ওইদিন সকাল হতেই ঘটনাস্থলের সামনে কয়েকশত নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। যে কারণ ওই স্থানে ছিনতায়ের ঘটনা মামলার স্বাক্ষী ছাড়া আর কেউ জানেন না। এছাড়া মামলার স্বাক্ষীরা হলেন, আ: ছামাদ খান, পিতা- গোলাম আলী, আসাদুজ্জামান, পিতা- মৃত নূর ইসলাম সরদার, মুনসুর আলী, পিতা- আবু বক্কর সরদার সর্ব সাং- ইটাগাছা, এছাড়া রইচপুর গ্রামের বাদীর নিকটআতœীয় ফজর আলীর ছেলে মোশাররফ হোসেন। উক্ত স্বাক্ষী ও বাদী এলাকার চিহ্নিত একটি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ও কুচক্রী মহল। যাদের নিদিৃষ্ট কোন কাজ নেই। তাদের সারাদিনের কাজ হলো নিরীহ মানুষ কে হয়রানি করা। বিভিন্ন মানুষকে ফাদে ফেলে অর্থ আদায় করা। এরআগেও তারা মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আতœসাত করেছে। প্রতারণা করে এখানেই ক্ষ্যান্ত হয়নি সেলিম। আমি লেখাপড়া জানি না। এর সুযোগে সেলিম আমার কাছ থেকে একটি সাদা স্ট্যাম্পে নাম সহি করিয়ে নিয়ে নোটারী পাবলিকের এফিডেভিট করিয়ে নেয়। সেটা কে পুঁজি ভদ্র বেশি চাঁদাবাজ সেলিম আমার কাছে বার বার চাঁদা দাবি করে আসছে। তাছাড়া উক্ত সেলিম এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ, ফাঁদ চক্রনেতা হিসেবে পরিচিত। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না। চাঁদাবাজ ও চিহ্নিত ফাঁদচক্র নেতা সেলিমের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।