সাতক্ষীরায় সড়কে ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে চলছে জোর পূর্বক বেপরোয়া চাঁদাবাজী


304 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় সড়কে ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে চলছে জোর পূর্বক বেপরোয়া চাঁদাবাজী
জুন ২৩, ২০২১ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

স্টাফ রিপোর্টার ::

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় চলছে কঠোর লকডাউনে সাতক্ষীরায় সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে ভোমরা’র গাংনিয়া ব্রিজের উপর সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতি ও সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিনের নামে জোর পূর্বক অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভোমরা’র গাংনিয়া ব্রিজের পাশে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্লিপের মাধ্যমে ট্রাংক, গরুবহনকারী ইঞ্জিনচালিত নছিমন-করিমন, আলমসাধু ও মালামাল বহনকারী যানবাহন প্রতি ৩০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এসময় ট্রাক থমিয়ে চাঁদা আদায়ের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিক দেখে চাঁদা আদায়কারীরা সেখান থেকে দ্রুত সরে পড়ে এবং ট্রাক ড্রাইভারদের ইশারা করে চলে যেতে বলে। অনেক সময় ঐ স্পটে সাংবাদিকরা দাঁড়িয়ে থাকায় তাদের চাঁদা আদায়ে বিঘœ ঘটে। এসময় ট্রাক ড্রাইভারদের বক্তব্য নিতে গেলে অনেকে চাঁদা আদায়কারীদের দ্বারা সড়কে হয়রানী, ঝামেলা ও চাকুরী হারানোর ভয়ে বক্তব্য দিতে প্রথমে অস্বীকৃতি জানায়। পড়ে ট্রাকের নম্বর না লেখার স্বর্থে ট্রাক ড্রাইভার আব্দুল হাকিম, মো. হারুন, ইউছুফ আলী, হামিদুল ও ট্রাক ড্রাইভার আব্দুল আজিজ জানান, প্রতিদিন নির্দিষ্ট স্থানে সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতি ও সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিনের নামে ৩০+৩০ মোট ৬০ টাকা করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ট্রাকসহ বিভিন্ন মালবাহী যানবাহন থামিয়ে জোর পূর্বক অবৈধভাবে ঐ চাঁদা আদায় করা হয়। যে কারণে সড়কে অনেক সময় যানজট লেগে থাকে এবং সড়ক দূঘর্টনা ঘটে। নির্দিষ্ট সময়ে যানবাহনের মাধ্যমে মালামাল পৌছাতে পারিনা। তবে এই টাকা যাচ্ছে কোথায় তা আমরা জানিনা। ভোমরার গাংনিয়া ব্রিজের উপর সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম ও সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিনের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন’র নেতৃত্বে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজী করে যাচ্ছে তারা। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে একজন গডফাদার দ্বারা সড়কে চাঁদাবাজী নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তারা আরো জানায়, করোনা মহামারীর মধ্যেও আমাদের ট্রাংক শ্রমিকদের কোন সহায়তা করা হয়নি। যাদের কাছ থেকে এই অর্থ আদায় করা হয়েছে তাদের কল্যাণে কোনদিন এই অর্থ ব্যয় করা হয়নি। ঐ অবৈধ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বব ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং অবিলম্বে চাঁদাবাজী বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছে ব্যবসায়ী ও ট্রাক চালকরা।

#