সাতক্ষীরায় হেড সংস্থার মাঠ দিবস পালন


479 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় হেড সংস্থার মাঠ দিবস পালন
মে ১৭, ২০১৮ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল আলম মুন্না,সাতক্ষীরা ::
বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত। প্রকৃত কৃষকরাই দেশের সবচেয়ে বড় ইঞ্জিনিয়ার তারাই দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রেখে চলছে বহুদিন ধরে। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে আমরা বর্তমানে বেশি বেশি খাদ্য উৎপাদনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছি কিন্তু পরিবেশ বান্ধব কেছো সার বা প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করিনা। এতে আমরা বিষাক্ত খাবার ছাড়া কিছুই পাচ্ছি না এজন্য জৈব সার বা প্রাকৃতিক সার ব্যবহারের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বর্তমান কৃষকরা যান্ত্রিক নীর্ভরশীল হয়ে পড়েছে এতে জমির মালিক লাভবান হলেও কৃষকরা হারিয়ে কর্ম এবং অর্থ । সাতক্ষীরা আমের রাজধানী উল্লেখকরে কৃষি অফিসার বলেন ১৫ মে’র আগে গোবিন্দ ভোগ আম না পাড়ার পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে বলেন এক ঝুড়ি কাচা আমের মধ্যে একটি পাকা আম ৪/৫ দিন রেখে দিলে সেই আম সহজেই প্রাকৃতিক ভাবে পেকে অবশ্যই সুস্বাদু হবে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আম পাকাতে কার্বাইড বা রাসায়নিক সার ব্যবহার করে জনগণের শারীরিক ক্ষতি করছে ফলে জনগন নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছে। “বাচলে কৃষক বাচবে দেশ সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার সকাল ১০ টায় ক্যাথলিক মিশন হলরুম সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সংরক্ষণ ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা (হেড) এর আয়োজনে এবং একশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় পিছিয়ে পড়া ও সুবিধা বঞ্চিত যুবক যুবতীদের নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষে এক মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
হেড সংস্থার কার্যকরী পরিষদের সভাপতি খুলনা বিএল কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ভূধর চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরসা’র সহকারী পরিচালক মো নাজমুল আলম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো আনিছুর রহমান , প্রগতি নাট্য দলের পরিচালক মো একোববর হোসেন ও হেড সংস্থার কার্যকরী পরিষদের সদস্য মো আজিজুর রহমান বাদশা। হেড সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার রেহেনা আক্তারের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। হেড সংস্থার নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন তিনি এই মাঠ দিবসের লক্ষ ও উদ্দেশ্য বর্ননা করেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন লাবসা, নগরঘাটা ও বল্লী ইউনিয়নের নারী কৃষক, পুরুষ কৃষকসহ বিভিন্ন দলের যুবক-যুবতীর শতাধিক ব্যক্তি।