সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে যাত্রী হয়রানী চরমে


228 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে যাত্রী হয়রানী চরমে
আগস্ট ৯, ২০২০ আশাশুনি ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::

ভাড়া দ্বিগুন অথচ নেই সামাজিক কিম্বা শারীরির দূরত্ব। এক সিটে একজন বসার কথা থাকলেও বসানো হচ্ছে দুইজন। যাত্রীর নিকট থেকে জোর করে আদায় করা হচ্ছে দুই সিটের ভাড়া। এক সিটের ভাড়া দিতে গেলে যাত্রীকে হতে হচ্ছে লাঞ্ছিত। এভাবে সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে যাত্রী হয়রানী করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনাও মানা হচ্ছে না এ সড়কে। সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে আসা বাস শহরের খুলনা রোড, দিঘির পাড়, নবারুন মোড়, সরকারি কলেজ মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে যাত্রী ধরার আশায়। জেলা প্রশাসনের পক্ষে এসব মোড়ে তিন মিনিটের বেশি বাস থামবে না বলে নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। খুলনা রোডে দশ মিনিট, দিঘির পাড়ে দশ মিনিট, নবারুন মোড়ে পাঁচ মিনিটের কথা বলে দশ মিনিট এভাবে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে যাত্রীবাহী বাস। বাসের হেল্পাররা সিট আছে বলে যাত্রীকে বাসে তুলে নেয়। তারপর বসায় ডাবল সিটে। কখনো কখনো দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয় যাত্রীকে। অথচ বাসের ‘কন্ট্রাক্টর’ যাত্রীর নিকট থেকে জোর করে আদায় করছে দ্বিগুন ভাড়া। সাতক্ষীরা থেকে ব্রহ্মরাজপুর পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা, ভালুকা চাঁদপুর পর্যন্ত ৩০ টাকা, কুল্যার মোড় পর্যন্ত ৪০ টাকা। এভাবেই দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে চলতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে খুলনা-ব-৮৫২ নাম্বার বাসের যাত্রীদের এভাবে হয়রানী করতে দেখা গেছে। এ বাসের যাত্রীরা জানান, ভাড়া দ্বিগুন দিলেও রেহাই নেই, বাস শ্রমিকদের দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজ ফ্রি। যাত্রীরা একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছে এ সড়কে। বিষয়টি দেখছেন এমন কাউকে দেখা যায়নি। তাই জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।

#