সাতক্ষীরা উপকূলবাসীর দু:খ দেখবে কে ?


379 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা উপকূলবাসীর দু:খ দেখবে কে ?
জানুয়ারি ১২, ২০২২ দুুর্যোগ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সুন্দরবনের কোলে সাগর তীরে অবস্থিত। এই এলাকার সাধারণ মানুষ বাঘ, কুমিরের সাথে যুদ্ধ করে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল।কিন্তু তাদের দু:খের শেষ নেই। জানুয়ারি ও ফেব্রæয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার পাস বন্ধ থাকায় জেলে বাওয়ালীদের অভাব অনটনে দিন কাটছে। তবে বন বিভাগ বৈধভাবে সাদা মাছের পাস পারমিট দিচ্ছে। সেটি শর্ত সাপেক্ষে অভয়ারণ্য এলাকায় তারা যেতে পারবেনা। সুন্দরবনের ভিতর অধিকাংশ জায়গা অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে জেলে বাওয়ালীদের মাছ ও কাঁকড়া ধরার এলাকাও হয়ে পড়েছে সংকীর্ণ।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের জেলে বাওয়ালীরা বলেন, সাতক্ষীরা রেঞ্জের অধিকাংশ জায়গা অভয়ারণ্য ঘোষণা করায় আমরা হতাশ হয়ে পড়েছি। যে এলাকায় মাছ বা কাঁকড়া বেশি পাওয়া যায় সেই এলাকাকেই অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। আর এই ঘোষণার পর থেকে বনবিভাগ খুবই তৎপর। যার কারণে আমরা অভয়ারণ্য এলাকায় যেতে পারিনা। সুন্দরবনের ভেতর যে এলাকা বৈধ করা হয়েছে, সেই এলাকায় মাছ কম। কিন্তু জেলে বেশি। এমনটাই বলেন অসহায় জেলে বাওয়ালীরা। তারা আরও বলেন, আমাদের এলাকায় তেমন ধরনের কোন কল-কারখানা নেই যে, আমরা সেখানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করব। আমাদের জীবিকা নির্বাহ করার একটাই পথ সুন্দরবন। আমরা এই পেশা কখনো ছাড়তে পারবো না। বিষয়টি নজরে নিয়ে উপকূলীয় এলাকার জেলে বাওয়ালীদের জীবন জীবিকার কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

##