সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকার আইলার ক্ষত আজও শুকায়নি


498 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকার আইলার ক্ষত আজও শুকায়নি
মে ২৫, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নূরুজ্জামান রিকো:
সাতক্ষীরা উপকুলীয় এলাকার আইলার ক্ষত শুকায়নি আজও। ছয় বছর আগে ২০০৯ সালের ২৫ মে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘুর্নিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট সর্বনাশা “আইলা” আঘাত হানে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকুলীয় জনপদে। মুহুর্তের মধ্যে উপকুলবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। আইলার ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও খাবার পানির জন্য ছুটতে হচ্ছে মাইলের পর মাইল। নেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চিকিৎসার সু ব্যবস্থা, নেই চলাচলরে জন্য রাস্তা।

২০০৯ সালের ২৫ মে এই দিনে ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাস আইলার আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় উপকূলীয় এলাকা। ১৫ ফুট উচ্চতা বেগের জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে সুন্দরবন উপকুলীয় সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায়। এসময় তিনটি ইউনিয়নের ৭৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশু নিহত হয়। বর্তমানে  এসব এলাকয় খাবার পানি সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে। নেই চিকিৎসা সেবা, রাস্তা ঘাট। কৃষি ব্যবস্তার কোন উন্নতি হয়নি। নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করায় এলাকায় আতংক বেড়েছে উপকূলীয় মানুষের।

উচ্চ বিত্ত থেকে শুরু করে নিম্মবিত্ত সবাই চালাচ্ছে বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বেকারত্বের কারনে কাজের সন্ধানে মানুষ নিজ বাসভুমি ছেড়ে চলে যাচ্ছে অন্যত্রে। সুন্দরবন, কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর ওপর নির্ভরশীল ওই এলাকার মানুষের জীবন যাপন এখন দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে। আইলার পরপরই কিছু সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে কিছু কাজের বিনিময় খাদ্য প্রকল্পের কাজ হলেও এখন আর কোনো কাজ হচ্ছে না। ক্রমে বাড়ছে দরিদ্র ও অতি দরিদ্রের সংখ্যা। আইলার পর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধগুলো পুরোপুরি সংস্কার না হওয়ায় এখনও ঝূঁকিতে রয়েছে এ জনপদের মানুষ।

গাবুরা ইউনিয়ানের -চেয়ারম্যান আলী আজম টিটু জানন এলাকাই  কোন কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা না থ্াকাই  দিনদিদন বেকারত্বের হার বেড়ে চলেছে ফলে কাজের সন্ধানে জিবীকা নির্বহের তাগিতে নিজ বাসভ’মি ছেড়ে চলে যাচ্ছে অন্যক্রে। এছাড়া  অবিলম্বে রাস্তাঘাট, খাবার পানি, চিকিৎসাব্যবস্থা, বেড়িবাঁধ সংস্কার সহ সকল সমম্যার সমাধান দ্রুত না করা হলে  একেবার্ইে বসবাসের অনউপযোগি হয়ে পড়বে ।

শ্যমনগরউপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা আবু সায়েদ মো: মঞ্জুরুল আলম, জানান
২০০৯ সালে আয়লা বিদধস্থ  শ্যমনগরের ২টি ইউনিয়ন গাবুরা এবং পদ্দপুকুর  একবাওে প্লাবিত হয়ে যায় । এখন সেখানে বাধ নির্মান সহ অনান্য কাজ সেখানে সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে কর্ম সংস্থান ও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ রোপন । এ সকল বিষয়ে আমরা যোর দিয়েছি। সরকার এসজিও এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সবায় মিলে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এখানে কিছু কমিনিউটি ক্লিনিক আছে তবে লোক বলের অভাবে আমরা সেটি সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারছি না । তবে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যে খুব দ্রুত যেন এখানে চিকিঃসা সেবা পৈাছে দেয়া যায়।##