সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজে দেশের শান্তি ও কল্যান কামনা


1158 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজে দেশের শান্তি ও কল্যান কামনা
জুলাই ৭, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমূল হক ও আব্দুর রহমান :
সাতক্ষীরায় সর্বস্তরের মানুষ ব্যাপক আনন্দ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৭জুলাই) সকাল ৮টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত ঈদের প্রথম নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম। নামাজে অংশ নেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, পৌর কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বকুল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক  শেখ নিজাম উদ্দীন, প্রফেসর খায়রুল ইসলাম, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ আজিজুল হক, হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম জিয়া, আবু আফফান রোজবাবু, শেখ আলম, মাসিক সাহিত্যপাতার সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমানসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।

DSC09644

এছাড়া সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঈদের দ্বিতীয় নামাজে ইমামতি করেছেন হাফেজ মাওলানা আব্দুল করিম। কেন্দ্রীয় ঈদগাহের ঈদের জামাতকে ঘিরে তৎপর ছিলেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ঈদের নামাজের পর দেশ-জাতির সম্মৃদ্ধি ও সকল মানুষের শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে বিগত এক মাসের রোজা কবুলিয়াত এবং বান্দার পাপ মোচনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।
DSC09631
এদিকে, আহলে হাদীস অনুসারীদের ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭ টায় সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে। আহলে হাদসি আন্দোলন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান ঈদের নামাজে ইমামতি করেন। নামাজে অংশ গ্রহণ করেন সাতক্ষীরার প্রবীন আইনজীবী এ কে এম শহীদউল্যাহ, ডা: মনোয়ার হোসেন, ডা: আবুল বাশার, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, মাওলানা আলতাফ হোসেন প্রমুখ।

IMG_20160707_074710

সাতক্ষীরা পিএন স্কুল মাঠে আহলে হাদীস অনুসারীদের আরও একটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা ওবায়দুল্লাহ গজনফর।