সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গাজী মোমিন


282 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গাজী মোমিন
মার্চ ২৫, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এর শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গাজী মোমিন উদ্দীন। তিনি জেলার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের মৃত মোঃ আকমান আলী গাজীর পুত্র। চাকুরিকাল দশ বছর পূর্ণ হয়েছে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি দায়িত্বশীল ও কত্যব্যনিষ্ট। অিত্যন্ত সহযোগী মনোভাবের মানুষ হিসেবে তিনি অভিভাবক, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয় করতে পারেন সব কাজ। সরকারি পরিপত্র প্রতিপালনে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবে বাস্তবায়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিস্তরণ কাজ করেন। শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজের সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। প্রশিক্ষক হিসেবেও তিনি সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ভোলার দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদানের মধ্য দিয়ে সরকারি এই চাকুরি শুরু করেন। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ বলেন, শিক্ষক হিসেবে তার বিষয় জ্ঞান খুব ভাল। সব কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সরকারি পরিপত্র প্রতিপালন ও জাতীয় দিবসসমূহ পালন কাজে সক্রিয় সহযোগিতা করেন। শিক্ষার্থী বান্ধব এমন শিক্ষক দরকার। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেখ মুস্তাফিজুর রহমান জানান, একজন শিক্ষক শুধু নয় একজন ভাল মানুষ হিসেবেও গাজী মোমিন উদ্দীন আলোচিত। আমার জুনিয়র সহকর্মী হলেও তার সক্রিয়তা উল্লেখযোগ্য। বিদ্যালয়ের এমন কোন কাজ নেই, যেখানে তার অংশগ্রহণ নেই, এমন সাধারণত দেখা যায় না। আরেক শিক্ষক দিব্যেন্দু সরকার বলেন, একজন মানুষ এত পরিশ্রমী ও আন্তরিক হতে পারে, মোমিন স্যারকে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক হাবিবুর রহমান বলেন, আমিও শিক্ষক কিন্তু তার মত এত আন্তরিক শিক্ষক খুব কম দেখা যায়। এ প্রসঙ্গে গাজী মোমিন উদ্দীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাল লাগছে, কাজ আরও বেড়ে গেল, যেভাবে কাজ করি মনপ্রাণ দিয়ে ,সেই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সবার ভালবাসার সাথে এটিও কম নয়। আমি সারা দেশের মধ্যে একজন মডেল শিক্ষক হতে চাই। বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী এহসানুল কাদির শান্ত জানায়, একজন শিক্ষার্থী কী চায়, স্যার এটা ভাল বোঝেন, শিক্ষাথীর মনের কথা বুঝতে পারার সক্ষমতা অনেক বেশি। স্যার, যেকোন শিক্ষার্থীকে খুব সহজে আপন করে নিতে পারেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি