সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন


393 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
জানুয়ারি ১২, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আসাদুজ্জামান ::


সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রার ও তার সহযোগী সাব-রেজিস্ট্রারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জেলা ভূমিহীন ঐক্যপরিষদের আয়োজনে শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন ঐক্যপরিষদের সভাপতি কওছার আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক ও জজকোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, জেলা ভূমিহীন ঐক্যপরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, সংগঠনটির সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান, আরমান আলী, অর্থ সম্পাদক মনিরুজ্জামান, মারুফা খাতুন, বাবলু হাসান প্রমুখ।
বক্তারা এসময় বলেন, ঘুষ, অনিয়ম, দুর্নীতি ও জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে দলিল রেজিষ্ট্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম ও তার সহযোগি সাব-রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম। তারা ঘুষের টাকা আদায় করার জন্য নকল নবিশ আবুল কাশেমসহ কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্টারের কথামত প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ টাকা জনসাধারণের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের মিশন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে ওই চক্র। এছাড়া জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলামের বিরুদ্ধে রয়েছে জন্ম তারিখ জালিয়াতি করে দীর্ঘদিন ধরে চাকুরী করার অভিযোগ। তারা আরো বলেন, জেলা ও সাব রেজিষ্ট্রারের নেতৃত্বে বর্তমানে রেজিষ্ট্রি অফিস এখন অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, গত এক বছরে আগে সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলামকে অবসরে যাওয়ার কথা থাকলেও জন্ম তারিখ জালিয়াতি করায় বর্তমানে তিনি চাকুরিতে রয়েছেন বহাল তরিয়তে। চাকুরির প্রথম জীবনের খেদমতবই এ চাকুরির অনুলিপির কপিতে সিরিয়াল নং-২৩২-এ তিনি তার জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছিলেন ৩০ নভেম্বর ১৯৫৮ সাল। সে অনুযায়ী তার অবসরে যাওয়ার কথা গত ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরির মেয়াদ ১ বছর বৃদ্ধি পাওয়ায় তার অবসরে যাওয়ার কথা ছিলো ২৮ নভেম্বর-২০১৮ তারিখে। কিন্তু ২০১৮ সালে এসে সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্ট্রার ২০১৩ সালের একটি খেদমত বইতে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে ১৯৫৮ সালের পরিবর্তে ১৯৫৯ সাল উল্লেখ করেছেন। আর ওই জাল জন্ম তারিখ দেখিয়ে তিনি চাকুরিতে বহাল থেকে বেতন ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহস করছেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব াভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। কিছু মানুষ আমার অফিসে এসে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু আমি এ ব্যাপারে কঠোর হওয়ায় তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে আন্দোলন করছে।