সাতক্ষীরা পিএন স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ


659 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা পিএন স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ
জুন ৪, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শিক্ষা সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল আলম মুন্না :
সাতক্ষীরা পিএন স্কুলে ৮ম, ৯বম এবং ১০ম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও শিক্ষকদের সাথে গতকাল দুপুর ১২ টায় স্কুলের হলরুমে এক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য শেখ আলাউদ্দীন বাবু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূর মোহাম্মাদ, শিক্ষিকা রাবেয়া বেগম, প্রশেনজিৎ বন্দোপাধ্যয় প্রমুখ।
অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোঃ নাজমুল আলম মুন্না, মোঃ শাহাজান হোসেন মিলন ও আবুল কালাম আজাদ। সমাবেশে অভিভাবকদের বার্ষিক বনভোজনের চাদা,অনুপস্থিতদের ফাইন, স্কুলে পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসি পরিক্ষার কেন্দ্র থাকার ফলে স্কুলের পাঠ্যক্রম সঠিকভাবে পুরণ হচ্ছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক বলেন সাতক্ষীরা পিএন স্কুল সবচেয়ে পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী হওয়ার ফলে বহবছর ধরে এই স্কুলে বিভিন্ন পর্যায়ের পরিক্ষা হয়ে থাকে সেটা সম্পুর্ণ সরকারী ভাবে সিদ্ধান্তের কারনে। এখানে আমাদের কোন হাত নেই । এছাড়া স্কুলের শিক্ষক স্বল্পতা থাকার কারনে কয়েকজন শিক্ষক দিয়ে ক্লাস করানো হচ্ছে। যেমন আমদের স্কুলে এমপিও ধারী শিক্ষক ৭জন এবং খন্ডকালীন শিক্ষক ৪জন শিক্ষক দিয়েই এবছর শত ভাগ কৃতকার্য হতে পেরেছি। এছাড়া পরিক্ষার দিন আমরা খুব ভোরে স্কুলের পাঠদান করিয়ে থাকি যাতে সিলেবাচ অনুযায়ী সঠিকভাবে আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান করিয়ে থাকি যাতে পরিক্ষা কালিন সময়টা যেন গ্যাফ না থাকে। এবিষয়ে স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য আলাউদ্দীন অভিবাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়েই আপনারা ক্ষান্ত হবেননা ছেলে-মেয়ে সঠিকভাবে স্কুলে আসছে কিনা এটার খোজ-খবর নেওয়া অভিভাবকদের দায়িত্ব-কর্তব্য। আপনারা যদি একমত হন তাহলে পবিত্র রমজান মাসে আমরা ১৫দিন ক্লাস করাতে পারবো এবিষয়ে তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহবান রাখেন, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন উপস্থিত অভিভাবকবৃন্দরা একমত পোষন করেছেন । আসলে যেসব স্কুলে বিভিন্ন সময়ে ক্লাস পরিপূর্ণভাবে নেওয়া সম্ভব না হয়ে থাকে সে স্কুলগুলোতে রমজানে ১৫ দিন ক্লাস করালে পিছিয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীরা পরিক্ষা সমতায় আসতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়।