সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত


138 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত
ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। সকালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে মার্চপাস্ট, শরীরচর্চা ও ডিসেপ্লেতে অংশগ্রহণ করে স্কুলটি। ডিসপ্লেতে বাংলাদেশের উন্নয়ন শীর্ষক অসাধারণ ডিসপ্লেতে প্রথম স্থান অধিকার করে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে পরে বিদ্যালয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, আগারগাও, ঢাকার সাতক্ষীরা জেলা নেটওয়ার্ক শিক্ষক গাজী মোমিন উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, আমিনা বিলকিস ময়না, সহকারী শিক্ষক আবুল হাসান, জিএম আলতাফ হোসেন, শাহাদাৎ হোসেন, রেজাউল ইসলাম। । এর আগে কুরআন তেলাওয়াত করেন সহকার িশিক্ষক আবুল কালাম আযাদ, গীতা পাঠ করে শিক্ষার্থী প্রসুন ব্যানার্জী। আলোচনায় রেজাউল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে শিক্ষকদের সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। শাহাদাৎ হোসেন শিক্ষকদের আরও বেশি শিক্ষাদানে আন্তরিকভাবে মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরতে নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। জিএম আলতাফ হোসেন মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনী ও লক্ষ্য পূরণে শিক্ষার্থীদের গড় েওঠার আহবান জানান। সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন মহান স্বাধীনতাকে অনেক রক্তের দামে কেনা উল্লেখ করে বলেন, দেশকে সুখী,সমৃদ্ধ, দারিদ্রমুক্ত করতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রধান প্রেরণা হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে এই বিদ্যালয়ের সাবেক অনেক শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বিদ্যালয়টির পাশেই বধ্যভূমি। গাজী মোমিন উদ্দীন বলেন, দেশপ্রেম ও মুক্তিুিদ্ধের চেতনা ধারণ না করতে পারলে ভাল মানুষ হওয়া যাবে না, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশ এখন বিশ্বের মডেল, এই কথাটি শিক্ষার্থীসহ সকল মানুষের কাছে পৌছাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি শিক্ষককে দায়িত্ব নিতে হবে। প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীরা আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। তারা যদি মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করতে পারে, একটি আলোকিত বাংলাদেশ পেতে সহজ হবে। সবশেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোআ পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আযাদ।