সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ দেশ সেরা শিক্ষা


1826 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ দেশ সেরা শিক্ষা
মে ১৮, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আব্দুর রহিম :
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা-২০১৬ ফলাফল পর্যালোচনায় দেশের ৬৪টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ শতকরা ৯৫.৭৭ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়ে দেশ সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এ ফলাফল অর্জনে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ হতে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করা হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া, আমতলা মোড়ের নিকট ব্যাস্ততম সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠনটি ৩ একর ৬৭ শতাংশ জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত এসএসসি(ভোকেশনাল) ও এইচএসসি(ভোকেশনাল) কোর্স দুটি অত্র প্রতিষ্ঠানে চালু আছে। বর্তমানে ৬শ ৮৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য ২০ শিক্ষক রয়েছে। জনবল সংকট থাকার সত্বেও এ ফলাফল অর্জন করতে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এর অধ্যক্ষ মোঃ মোদাচ্ছের আলী। তবে জনবল সংকট না থাকলে শতভাগ ফলাফল অর্জন হবে এই আশা শিক্ষকদের। পরিবর্তিত বাংলাদেশের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে দেশের তরুণ প্রজন্মকে কর্মমূখী শিক্ষা দানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূুপান্তর পূর্বক দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আত্ম-কর্মসংস্থান, উদ্যোগ উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও শ্রমবাজারের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সামর্থ বৃদ্ধি, জাতীয় ভাবে প্রতিযোগিতার ক্ষমতা শক্তিশালী করণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, নিরক্ষরতা ও বেকারত্ব দুরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, ক্ষুধা ও দূর্নীতি মুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন আমাদের লক্ষ্য।

সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এর অধ্যক্ষ মোঃ মোদাচ্ছের আলী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের এ অর্জনের মূলে রয়েছে কর্মকর্তা, শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষা প্রশাসন, মিডিয়া বন্ধুবর্গ, রাজনীতিবিদ, সমাজ সংগঠক, অভিভাবকবৃন্দের আন্তরিক সহযোগিতা। সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে মর্মে  আশাবাদী। এছাড়া খুব শিঘ্রই আরো দুটি কোর্স চালু করা হবে বলে জানান তিনি।