সি আর দত্তের মরদেহ ঢাকায়, শেষকৃত্য মঙ্গলবার


107 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সি আর দত্তের মরদেহ ঢাকায়, শেষকৃত্য মঙ্গলবার
আগস্ট ৩১, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

মুক্তিযুদ্ধকালীন ৪ নম্বর সেক্টর কমান্ডার এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) চিত্ত রঞ্জন (সি আর) দত্ত বীরউত্তমের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে।

সোমবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস্ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মরদেহের সঙ্গে তার কানাডা প্রবাসী মেজো মেয়ে চয়নিকা দত্ত ও তার স্বামী রনি প্রান্টিস এসেছেন। সি আর দত্তের মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমাগারে রাখা হয়েছে।

রানা দাশগুপ্ত জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় সি আর দত্তের বনানিস্থ ডিওএইচ এর ২ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বর বাড়ির বাসভবন হয়ে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ঢাকেশ্বরী মন্দির চত্বরে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হবে। ঢাকেশ্বরী মন্দির চত্বর থেকে সকাল ১১টায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রাজারবাগ বরদেশ্বরী শ্মশানে। সেখানে শেষকৃত্যানুষ্ঠানের আগে জেনারেল দত্তের মরদেহের প্রতি সামরিক সম্মাননা জ্ঞাপনের জন্য গানস্যালুট প্রদান করা হবে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এবং হবিগঞ্জে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না বলে জানান তিনি।

সি আর দত্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় তার মেয়ের বাসায় গত ২০ আগস্ট বাথরুমে পড়ে গেলে তার পা ভেঙে যায়। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তার শারিরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ আগস্ট বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

সি আর দত্তের জন্ম ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি আসামের শিলংয়ে। তার পৈতৃক বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি গ্রামে।

বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ রাইফেলস)-র প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন সি আর দত্ত।

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চিত্ত রঞ্জন দত্ত বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। এছাড়া ঢাকার কাঁটাবন থেকে কারওয়ান বাজার সিগন্যাল পর্যন্ত সড়কটি ‘বীরউত্তম সি আর দত্ত’ সড়ক নামে নামকরণ করা হয়।