সুইং না পাওয়ার আফসোস ফিজের


148 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুইং না পাওয়ার আফসোস ফিজের
জুলাই ৬, ২০১৯ খেলা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের পারফরম্যান্স রাজকীয়। এর বাইরে ক্রিকেট ভক্ত-বিশ্লেষকদের বিচারে ভালো করেছেন মুশফিকুর রহিম, মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাইফউদ্দিন। তবে নিজের পারফর্ম নিয়ে খুশি নন মুস্তাফিজ। বিশ্বকাপে ২০ উইকেটে পেয়েছেন। ভারত-পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। তা ৫০ ভাগ খুশি দিয়েছে ফিজকে। রান কম দিলে শতভাগ খুশি হতেন বলে জানান তিনি। আর বলে স্বাভাবিক সুইং না থাকায় আফসোস হচ্ছে তার।

মুস্তাফিজ ৮ ম্যাচে খরচা করেছেন ৪৮৪ রান। ওভারপ্রতি ৬.৭ করে রান দিয়েছেন তিনি। তুলে নেওয়া উইকেটের অধিকাংশই স্লগ ওভারে। তারপরও স্লগ ওভারের বোলিং নিয়ে তিনি খুশি নন। নিজের প্রথম বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে মুস্তাফিজ বলেন, ‘আমি ৫০ ভাগ খুশি। রান আরও কম দিতে পারলে ভালো লাগতো।’ তবে পাঁচ উইকেট পাওয়া সবসময়ই খুশির বলে জানান তিনি।

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি মুস্তাফিজ। তার চেয়ে বেশি ২৪ উইকেট নিয়েছেন অজি পেসার মিশেল স্টার্ক। বাংলাদেশের সেরা বোলার তো বটেই। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাইফউদ্দিনের চেয়ে সাত উইকেট বেশি নিয়েছেন ফিজ। তবে তার সব উইকেটই ৩০ ওভারের পরে। শুরুতে উইকেট নিতে না পারার দল বিপদে পড়েছে। ফিজ অবশ্য প্রথম স্পেলে বোলিংও খুব কম করেছেন। মুস্তাফিজ মনে করছেন তিনি স্বাভাবিক সুইং পান না বলেই শুরুতে উইকেট নিতে পারেননি।

‘নতুন বলের সুইং শুরুতে উইকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমার বলে শুরুতে সেভাবে সুইং নেয় না। অনেক বোলর স্বাভাবিক সুইং পান। আমি সেটা পায় না। ইনসুইং পাওয়ার জন্য আমার আলাদা করে কাজ করতে হবে।’

স্লগ ওভারে মুস্তাফিজ ভালো বোলিং করেছেন। তবে শুরুর দিককার মুস্তাফিজ এখনও ফেরেননি। নিজেকে অব্যশ ফিরে পাচ্ছেন তিনি। অন্যদের বিচারে স্লগ ওভারে ফিজ ভালো করলেও নিজের পারফরম্যান্সে খুশি নন এই বাঁ-হাতি কাটার মাস্টার, ‘স্লগ ওভারের বোলিং নিয়ে আমি খুশি নই। আমি আরও ভালো করতে পারতাম। আরও ভেরিয়েশন থাকলে ভালো হতো। কাটার হয়েছে। তবে আমার ইয়ার্কার হয়েছে ফিফটি-ফিফটি। ইয়ার্কারগুলো ঠিকঠাক হলে স্লগ ওভারে আরও ভালো বোলিং হতো আমার।’

এছাড়া দলের প্রয়োজনে যে কোন জায়গায় মুস্তাফিজ বল করতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন। তার বলের গড় গতি ১৩৫ কিলোমিটারের মতো। অন্য বোলারদের মত তিনি দ্রুতগতির বোলিং করতে পারেন না। তবে এই পেস নিয়ে মুস্তাফিজ খুশি। এখন বোলিংয়ে অস্ত্রগুলো যোগ করা দরকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।