সুন্দরবনের প্রজনন কেন্দ্রে অভিজ্ঞ কেউ নেই


547 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুন্দরবনের প্রজনন কেন্দ্রে অভিজ্ঞ কেউ নেই
জুন ২৮, ২০১৫ খুলনা বিভাগ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

 

মংলা প্রতিনিধি :
সুন্দরবনরে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কন্দ্রেে ১৬ দনিরে ব্যবধানে ২টি কুমরি ১১১টি ডমি দয়িছে।ে প্রায় ৯০ দনি নবিড়ি র্পযবণেে থাকার পর ডমিগুলো হতে বাচ্চা ফুটে বরে হব।ে কন্তিু এবার বাচ্চা ফোটা নয়িে বপিাকে পড়ছেে কন্দ্রেরে লোকজন। কারণ প্রায় ৫ মাস এই কন্দ্রেরে পরর্চিযা ও বন্যপ্রাণী রণাবণেরে বষিয়ে অভজ্ঞি কোন ব্যক্তি এখানে নইে । এ প্রজনন কন্দ্রেে কুমরিরে দয়ো ডমি সংগ্রহ ও তা রণাবণেরে জন্য অতরিক্তি দায়ত্বি পালন করছনে ‘বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরণ বভিাগ’ খুলনার ফরস্টোর আজাদ কবরি ও ‘করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কন্দ্রে’ের প্রাণী রণাবণেরে দায়ত্বিে থাকা র্কমচারী জাকরি হোসনে। এ খবরে উদ্বগে প্রকাশ করছেে সভে দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডশেনরে চয়োরম্যান ও পরবিশেবদি ড. শখে ফরদিুল ইসলাম। র্পূব সুন্দরবনরে চাদপাই রঞ্জেরে ঢাংমারী ষ্টশেনরে আওতাধীন করমজল এলাকায় ২০০৫ সালে গড়ে ওঠে দশেরে একমাত্র বন্যপ্রাণী ও কুমরির প্রজনন কন্দ্রে।
কন্দ্রেরে পরর্চিযা ও বন্যপ্রাণী রণাবণেরে জন্য অতরিক্তি দায়ত্বি পালন করছনে ঢাংমারী ষ্টশেন র্কমর্কতা প্রলাদ চন্দ্র রায়। এই র্কমর্কতা জানান, তনিি দায়ত্বি নয়োর পর থকেে করমজলে বন্যপ্রাণী প্রজনন কন্দ্রেে র্বতমানে ছোট বড় মলিয়িে ২২২টি কুমরি, ৫০টি হরণি এছাড়াও অসংখ্য পাখি ও বানর রয়ছে।ে তাছাড়া বগিত বছরগুলোতে এই কন্দ্রেরে ৭০টি প্রাপ্ত বয়স্ক কুমরি সুন্দরবনরে বভিন্নি নদী ও খালে অবমুক্ত করা হয়ছে।ে তবে এই প্রজনন কন্দ্রেরে মধ্যে যতগুলো বন্য প্রাণী সংরতি অবস্থায় আছে তা আগরে তুলনায় কমনেি বরং অনকে বড়েছে।ে ২০০৫ সালে র্পূব সুন্দরবনরে করমজল এলাকায় গড়ে ওঠে দশেরে একমাত্র বন্যপ্রাণী ও কুমরি প্রজনন কন্দ্রে। রোমওি এবং জুলয়িটে নামক দুটি কুমরি নয়িে র্পূব সুন্দরবনরে করমজলরে যাত্রা শুরু হয়। এই র্পযটক স্পট টি বন্যপ্রাণী সংরণ ও কুমরি প্রজনন কন্দ্রেরে।
প্রলাদ চন্দ্র আরও জানান, গত ১২মে প্রজনন কন্দ্রেরে পুকুররে দণি পাড়ে একসাথে ৫০টি ডমি দয়ে কুমরি জুলয়িটে এবং এরপর গত ২৮ মে কুমরি পলিপলি ৬১টি ডমি দয়িছে।ে পরে সখোন থকেে ডমিগুলো সংগ্রহ করে ইনকউিবটেররে তাপমাত্রা নয়িন্ত্রণ কে রাখা হয়ছেে । তনিি আরও জানান, কুমরিরে ডমি সংগ্রহ ও রণাবণে দায়ত্বি পালন করছনে আঃ রবরে কাছ থকেে হাতে কলমে প্রশণি প্রাপ্ত মোঃ জাকরি হোসনে। অপর দকিে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরণ বভিাগ খুলনা অঞ্চলরে ফরস্টোর আজাদ কবরিও মাঝে মধ্যে দখোশুনা করতে আসনে । এর আগে গত বছরও এই সময় জুলয়িটে ৪৪টি ডমি দয়িছেলি। ৪৪টি ডমিরে মধ্য থকেে বাচ্চা ফুটে বরে হয় ৩১টরি।
নাম প্রকাশ না করার র্শতে এক বন রী জানান,এবার বাচ্চা ফোটা নয়িে বপিাকে পড়ছেে কন্দ্রেরে লোকজন। কারণ র্দীঘ কয়কে বছর ধরে এই প্রজনন কন্দ্রেরে দায়ত্বিে থাকা র্কমর্কতা ও বন্যপ্রাণী বশিষেজ্ঞ আঃ রব চলতি বছররে ১৫ জানুয়ারি চাকরি থকেে অবসরে গছেনে। এর পরদনি থকেে এই কন্দ্রেরে পরর্চিযা ও বন্যপ্রাণী রণাবণেরে বষিয়ে অভজ্ঞি কাউকইে দায়ত্বি দয়ো হয়ন।ি অভজ্ঞিতা সম্পন্ন লোক না থাকায় রণাবণেরে অভাবে ইতমিধ্যে কন্দ্রেরে কুমরিসহ অন্যান্য প্রাণীগুলো রোগাক্রান্ত ও র্দুবল হয়ে পড়ছে।ে
বন্যপ্রাণী লালন পালনরে দায়ত্বিে থাকা আজাদ কবরি বলনে, আমাকে স্থায়ীভাবে কোন দায়ত্বি দয়ো হয়ন,ি যহেতেু এর আগে ২০০৯ থকেে ২০১১ সালে এই কন্দ্রেে আমি কাজ করছে,ি সহেতেু আমাকে মাঝে মাঝে দখোশুনা করার দায়ত্বি দয়ো হয়। তনিি আরো বলনে, এখানে স্থায়ীভাবে একজন অভজ্ঞি লোক না থাকলে প্রজনন কন্দ্রেরে র্কাযক্রম ব্যাহত হব।ে এছাড়া হরণি ও বানররে বাচ্চা এবং কুমরিরে ডমি নষ্ট হয়ে বাচ্চা ফোটার সংখ্যাও কমে যতেে পার।ে
তবে এ বষিয়ে র্পূব সুন্দরবনরে বভিাগীয় বন র্কমর্কতা মোঃ আমরি হোসাইন চৌধুরী বলনে, কুমরিরে ডমি সংগ্রহ ও বাচ্চা ফোটাতে তমেন কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ ওখানে আমাদরে ষ্টাফ জাকরি র্দীঘদনি ধরে কাজ করছ।ে আর ওখানে যে র্কমর্কতা (আঃ রব) ছলিনে তনিি মুখে বলতনে আর জাকরি রণা বণেরে কাজ করত। সুতরাং জাকরি তো সর্ম্পূণভাবে প্রশণিপ্রাপ্ত হয়ে আছনে।
এ ব্যাপারে সভে দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডশেনরে চয়োরম্যান ও পরবিশেবদি ড.ফরদিুল ইসলাম উদ্বগে প্রকাশ জানান, র্পূব সুন্দরবনরে চাঁদপাই রঞ্জেরে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কন্দ্রেে বাংলাদশেরে জন্য একটি গুরুত্বর্পূন এলাকা। এই এলাকাটকিে ঘরিে বহু র্পযটক আসে । সরকার এটি কে নয়িে উদাসনি ভাব দখোলে হবে না । যতদ্রুত সম্ভব এই কন্দ্রে ১জন প্রশণি প্রাপ্ত র্কমর্কতা নয়িোগ দবিনে বলে আশা করনে।