সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ও কোবাদক স্টেশন দিয়ে কাঠ, কাকড়া ও সাদা মাছ চুক্তিতে পাচার


431 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ও কোবাদক স্টেশন দিয়ে কাঠ, কাকড়া ও সাদা মাছ চুক্তিতে পাচার
অক্টোবর ৯, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সুন্দরবন
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর :
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেন্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন, এ স্টেশনের আওতাধীন মুন্সিগন্জ টহল ফাড়ী ও কোবাদক স্টেশন এলাকা দিয়ে সুন্দরবনের কর্তন নিষিদ্ধ কাঠ অবাদে পাচার হয়ে আসছে।
বনবিভাগের সাথে কাঠ পাচারকারীদের অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে এ কাঠ পাচার হচ্ছে।
সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থান থেকে কাঠ কেটে গভীর রাতে চুক্তির মাধ্যমে লোকালয়ে এনে পাচার করা হচ্ছে।এদিকে চুক্তি থাকার কারনে বনের কাঠের সাথে আনা হচ্ছে সুন্দরবনের মায়াবি হরিন।
এ কারনে এলাকার একটি চক্র হরিন মাংস্বের নামে বহাল তবিয়্যাতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।এদিকে কোন রকমে বন থেকে একটি হরিন আনলে এ প্রতারক চক্ররা তার সাথে পাচটা মরা গরুর মাংস্ব মিশিয়ে বিক্রী করে থাকে।
সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ও কোবাদক স্টেশনের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে সুন্দরবনের অভয়রন্য এলাকা থেকে অবাদে কাকড়া ও বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ ট্রলার যোগে আনা হচ্ছে। সরকারী ভাবে সুন্দরবনে কোন ইন্জিন  চালিত ট্রলার চলাচল করা যাবে এমন নিষেধাজ্ঞা থাকলে ও বন বিভাগের  সেটি মানছে না। বরং  কাঠ পাচার কারী, অভয়ারণ্য নিষিদ্ধ এলাকার জেলেদের আরো উৎসাহিত করা হচ্ছে।
বুড়িগোয়ালিনী ও স্টেশন কর্মকর্তারা লাগামহীন অনিয়মের মধ্যে থেকে সরকারী নিয়মনীতি না মেনে নিজেদের পকেট নিতী নিয়ে ব্যস্ত আছেন।এসব কারনে বনের বনদস্যুরা ও বে- পরোয়া হয়ে উঠেছে।অবাদে জেলেদের প্রবেশ এবং বন বিভাগের চুক্তি থাকার যত্রতত্রে জেলেদের অবস্থান থাকায় জেলেরা বনদস্যুদের কবলে পড়ে অপহৃত হচ্ছে।এছাড়া বনদস্যুদের নিধনে বনবিভাগের তেমন কোন উদ্যোগ নেই বলে দেখা গেছে।
উপরোক্ত বিষয় বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন।