সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে সন্দেহভাজনদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা


360 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে সন্দেহভাজনদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
মার্চ ৪, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সুন্দরবন
Print Friendly, PDF & Email
  • বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার

মিঠু বরকন্দাজ ::

পশ্চিম সুন্দরবনে মৎস্য আহরনের অনুমতি নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু জেলে চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ শিকারে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বন বিভাগ থেকে সন্দেহভাজনদের সুন্দরবনে প্রবেশাধিকার। ইতি পূর্বে এই সমস্ত অসাধূ চক্রদের বন বিভাগসহ আইন প্রয়োগেকারী সংস্থা থেকে বার বার হুশিয়ারী করলেও থেমে থাকেনি তাদের সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগকরে মাছ শিকারের ঘটনা। সুন্দরবন থেকে ফিরে আসা মুন্সীগঞ্জ সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের আঃ করিম, দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের মহব্বত আলী দাতিনা খালী গ্রামের শমসের আলী গতকাল এই প্রতিবেদক-কে জানান, মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের সেন্ট্রাল কালিনগর ও পানখালী এলাকার অধিকাংশ মৎস্য আহোরণকারীরা পশ্চিম সুন্দরবনের প্রতিটি নদী খাল ও জোলার ভিতরে বিষ প্রয়োগ করে ছোট-বড় সকল প্রজাতির মাছ শিকার করে মৎস্য আড়তে বিক্রয় করছে। যার কারনে আবারও পশ্চিম সুন্দরবনের বিশেষ করে সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকার নদী-খালে ব্যপক মাছ সংকট দেখা দিয়েছে। ফিরে আসা ওই জেলেরা আরও জানান, এই সমস্ত অসাধু জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে বিষ প্রয়োগের কারনে সান্দরবনের নদী-খালের বড় মাছ তো ধরে নিয়ে আসছে, পাশাপাশি সকল মাছের রেনু পোনা বিনষ্ট করে আসছে। সেকারনে বিপর্যয়ের মুখে পশ্চিম সুন্দরবনের সাধারণ মৎস্যজীবিরা। তারা আরও জানান, এর আগেও সেন্ট্রাল কালিনগরের (মৌখালী) ও পান খালী এলাকার অসাধু জেলেরা বিষ প্রয়োগে মরিয়া হয়ে উঠছিলো। বন বিভাগসহ যথাযথ কর্তুপক্ষের হস্তক্ষেপের কারনে সাময়িকের জন্য তা থেমে যায়। কিন্তু, এই চক্রটি আবারও গা ঝাড়া দিয়ে বিষ প্রয়োগকরে দিনের পর দিন সুন্দরবনের মাছ শিকার যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সর্ব স্তরের মধ্যে জানাজানি হলে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা নূরী আলম গত ০৩ মার্চ থেকে সেন্ট্রাল কালিনগরের সুন্দরবনে বিষপ্রয়োগে মাছ শিকারের সাথে জড়িত সন্দেহ ভাজনদের সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারী করে তাদের সব ধরনের পাশ-পারমিট দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এব্যপারে কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা নূরী আলম জানান, সন্দেহ ভাজনদের কঠোর নজোরদারীতে রেখে বিষয়টি প্রতিনিয়ত গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমান হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই কথা বলেছেন, পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বশিরুল আল মামুন।