সুন্দরবনে চোরা শিকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি । শ্যামনগরে ৩৫০ টাকা কেজি হরিণের মাংস !


804 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুন্দরবনে চোরা শিকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি । শ্যামনগরে ৩৫০  টাকা কেজি  হরিণের মাংস !
সেপ্টেম্বর ২, ২০১৫ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর :
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেন্জের আওতাধীন চার স্টেশন সহ এক ডজন টহল ফাড়ী বন রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে। স্টেশন গুলো বুড়িগোয়ালীনি, কোবাদক,কৈখালী, ও কদমতলা। এর আওতাধীন রয়েছে  আর ১০/১২ টহল ফাড়ী।এসকল স্টেশন দিয়ে প্রথমে চোরা শিকারীরা জেলে বাওয়ালী সেজে বনের ভিতরে প্রবেশ করে।এবার তাদের নিজস্ব কৌশলে সুন্দরবনের মায়াবী হরিন শিকার করে থাকে।বন বিভাগের চোখ ফাকী দিয়ে লোকালয়ে এসে শুরু করে এবার তাদের হরিনের মাংস বিক্রী করার আসল কাহিনী।

বন থেকে একটি হরিন লোকালয়ে এলে সেটি আর একটি থাকেনা, তখন ১০ টি হরিনে পরিনত হয়। হরিনের মাংস, চামড়ার টুকরো,পা,সিং নানা ভাবে ভাগ হয়ে হরিনের মাংস বিক্রির স্যাম্পলে পরিনত হয়। পেশাদার ব্যবসায়ীরা এবার কোন কোন ক্রেতাকে হরিনের ছামড়ার অংশ, কোন ক্রেতাকে হরিনের  সিং আবার কোন ক্রেতাকে হরিনের  পা দেখিয়ে হরিনের মাংসের নামে ছোট গরু, ফেড়া,মরা গরুর মাংস,হরিনের মাংসের নামে ৩৫০ টাকা ধরে বিক্রী করে থাকে।  তবে এসব মাংসে অত্যাধুনিক  মেডিসিন  ব্যবহার করা হয়, যার কারনে মাংস হরিনের মাংসের মত টক এবং টাটকা লাগে।

অধিকাংশ  সময়ে মরা গরুর মাংস হরিনের নামে বিক্রী  করা হয়, যার কারনে খুব কম মুল্যে বিক্রী করে থাকে প্রতারক ব্যবসায়ীরা। তবে এসকল প্রতারক চক্ররা যে দামেই হরিনের মাংস নাম ধারী অন্য মাংস বিক্রী তাই তাদের লাভ হয়ে থাকে।শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর, হরিনগর, গাবুরা, বুড়িগোয়ালীনি, শ্যামনগর সদর সহ চিহিৃত কিছু  এলাকার প্রতারকরা এব্যবসা করে থাকে। এদের তালিকা প্রসাশনের অনেকের কাছে থাকলেও  ঐ সকল প্রতারকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়না। এসকল প্রতারকরা বিশেষ করে বন বিভাগ সহ প্রসাশন  কে ম্যানেজের পাশাপাশি  এড়িয়ে চলে।

এদিকে বন বিভাগের কতিপয়  অসাধু কর্মকতা  কামচারীরা উৎকোচের মাধ্যমে সুন্দরবনের  নিষিদ্ধ পল্লী অভয়ারণ্য  এলকায় চোরা শিকারী, জেলে, বাওয়ালীদের প্রবেশের সুযোগ করে দেয়ায় সুন্দরবন আজ ধংস্বের দারপ্রান্তে।।