সুন্দরবনে পৃথক অভিযানে নয় জেলে আটক, পরিত্যক্ত হরিণের চামড়া উদ্ধার


434 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুন্দরবনে পৃথক অভিযানে নয় জেলে আটক, পরিত্যক্ত হরিণের চামড়া উদ্ধার
অক্টোবর ১৩, ২০১৫ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ, শ্যামনগর :
সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনের গহীনে বন বিভাগ পৃথক অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি হরিণের চামড়া ও নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ আহরণ করার
দায়ে নয় জেলেকে আটক করেছে।

বুড়িগোয়ালীনি সহকারী ষ্টেশন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে নোটাবেকি বনটহল ফাড়ির ইনচার্জ শেখ নুর ইসলাম ও সুন্দরবন স্মার্ট পেট্রোল টীমের সদস্যদের সমন্বয়ে নদীতে টহল দেওয়ার সময় সুন্দরবনে হলদেবুনিয়া অফিস খাল অভয়ারণ্যে এলাকায় মাছ আহরণ করার সময় মীরগাং গ্রামের মৃত আবু বক্কর ঢালীর ছেলে আসাদুর রহমান ঢালী (২৭), একই গ্রামের দুখে বেপারির ছেলে
রশিদুল ইসলাম(৩০) ও পার্শ্বেখালী গ্রামের দিনালী বিশ্বাসের ছেলে রবিউল ইসলাম(২৮)কে আটক করেন।

একই বাহিনীর সমন্বয়ে দুপুর পৌনে ২টার দিকে সুন্দরবনে ৫৫নং কম্পার্টমেন্টের আওতায় খাজুরদানা খাল অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ আহরণ করাকালীন মীরগাং গ্রামের জুব্বার শেখের ছেলে আলম শেখ(২৭) ও মৃত যতীন্দ্রনাথ মন্ডলের ছেলে নির্মল মন্ডল
(৪৮), ধুমঘাট গ্রামের মৃত বাবুরাম মন্ডলের ছেলে রনজিত মন্ডল(২৭) ও শুকুমার মন্ডল(৩৬), যতীন্দ্রনগর গ্রামের মৃত শচীন্দ্র দেবনাথের ছেলে রামপ্রসাদ(৪৬) কে আটক করেন। উভয় ঘটনায় জেলেদের কাছ থেকে ৪টি নৌকা, দড়ি, দা ও আনুষাঙ্গিক জিনিষপত্র আটক করা হয়। এ ঘটনায় নোটাবেকী টহল ফাড়ির ইনচার্জ শেখ নুর ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দিয়ে জেলেদের জেল হাজতে প্রেরণ
করেছেন। এদিকে একই দিন বিকালে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরার হরিষখালী কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে দু’টি হরিণের চামড়া উদ্ধার করেছে এলাকাবাসি।

এলাকাবাসি জানান, ক্লিনিকের পাশে একটি সাদা বস্তা পড়ে থাকতে দেখে উক্ত এলাকার ইউপি সদস্যকে তারা বিষয়টি জানান। পরে ইউপি সদস্য আবিয়ার রহমান এসে বস্তার মুখ খুলে দেখতে পান হরিণের চামড়া। তাৎখনিক
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে জানান। সোমবার বিকালে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা হরিণের চামড়া ২টি ফরেস্ট অফিসে নিয়ে আসেন। তবে কোন আসামী পাওয়া যায়নি।