সুবীর নন্দীর মরদেহ দেশে আসছে বুধবার


96 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সুবীর নন্দীর মরদেহ দেশে আসছে বুধবার
মে ৭, ২০১৯ ফটো গ্যালারি বিনোদন
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

সিঙ্গাপুর থেকে সদ্য প্রয়াত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর মরদেহ আনা হচ্ছে আগামীকাল। পরিবারে পক্ষ থেকে জানানো হয় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।

আজ সুবীর নন্দীর পরিবারের পক্ষে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন জানান, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের একটি উড়োজাহাজে আগামীকাল সকালে সুবীর নন্দীর মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছাবে।

বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ ২৫সি গ্রিন রোডের গ্রিন ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে আনা হবে। সেখান থেকে বেলা ১১টায় তার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে।

এরপর মরদেহ নেয়া হবে রামকৃষ্ণ মিশনে। পরে দুপুরে সবুজবাগে বরদেশ্বরী কালীমন্দির ও শ্মশানে সুবীর নন্দীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।

একুশে পদক পাওয়া জনপ্রিয় এ শিল্পী সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে চারটার দিকে না ফেরার দেশে চলে যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

এর আগে রোববার সুবীর নন্দীর শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। শনিবার ও রোববার পরপর দুইদিন হার্ট অ্যাটাক হয় তার। হার্টে চারটা ব্লক ছিল। রোববার সকালে চারটা রিং পরানো হয়।

টানা ১৮ দিন অজ্ঞান থাকার পর সুবীর নন্দী চোখ খোলেন গত শুক্রবার। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ এপ্রিল তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস, কিডনি ও হৃদরোগে ভুগছেন তিনি।

গত ১৪ এপ্রিল শ্রীমঙ্গলে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে উত্তরায় কাছাকাছি আসতেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে সুবীর নন্দীর। এর পর সেখান থেকে সরাসরি সিএমএইচে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।

নন্দিত কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী ৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রেও উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ১৯৮১ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’ ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে আসে। তবে চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত ‘সূর্যগ্রহণ’ চলচ্চিত্রে।