সোনাতনকাটী আলহেরা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে জমি দাতা পক্ষের সংবাদ সম্মেলন


157 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সোনাতনকাটী আলহেরা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে জমি দাতা পক্ষের সংবাদ সম্মেলন
জুন ১৩, ২০২১ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পলাশ কর্মকার ::

কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ সোনাতনকাটী-আলহেরা মাদ্রাসার সুপার মাওঃ আজগর আলী খাঁ এর বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ এনে রবিবার দুপুরে কপিলমুনির এম এম এন্টারপ্রাইজে মাদ্রাসার জমি দাতারা এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জমি দাতাদের পক্ষে জমি দাতা রেখা বেগমের স্বামী ১ নং হরিঢালী ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আকবর আলী মোড়ল লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার মা, স্ত্রী,ও ভ্রাতুষপতœী এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার জন্য ৩২ শতক জমি দান করে। অথচ মাদ্রাসা সুপার ভূয়া কাগজ পত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে সেখানে ৭৪ শতক জমি দান দেখিয়ে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাদ্রাসা সুপার ব্যাপক দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বছর দাখিল পরীক্ষার জন্য তিনি বহিরাগত অকৃকার্য শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে ফরম ফিলাপ করিয়েছেন। এ ছাড়া ২০০৪ সালের পর মাদ্রাসার বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেখিয়ে তিনি অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ মাদ্রাসায় চাকরি করেন না এমন লোক তালিকা ভুক্ত করে সরকারী অনুদান গ্রহন করেছেন। এ ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরীরত অনুদান ভোগী শিক্ষকদের মাদ্রাসায় বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন ‘২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মাদ্রাসার সংস্কার মূলক কাজের জন্য বরাদ্ধকৃত সরকারী টাকা আত্মসাৎ করেন। আমার ছোট ভাই মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী হায়দার মোড়লকে চাকরি এমপিও ভুক্ত করার নামে তার কাছ থেকে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিলেও তিনি এমপিওভূক্ত করেননি তিনি। জমি দাতাদের অজ্ঞাতে নিজের লোকদের নিয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে মাদ্রাসার সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং করোনা ভাইরাসের অনুদানের টাকাও উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, সুপার মাওঃ আজগর আলী খাঁর নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আকবর আলী মোড়ল, তার ছোট ভাই এবং এলাকার ইদ্রিস আলী খাঁ বিভিন্ন সময়ে পৃথক পৃথক ভাবে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ৩ টি অভিযোগ দেন। অভিযোগ তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলেও আজও পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন তদন্ত করা হয়নি।