স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বির্তকিত ও যুদ্ধাপরাধীরা অংশ নিতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


332 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বির্তকিত ও যুদ্ধাপরাধীরা অংশ নিতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্চ ৫, ২০১৭ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের কোন অনুষ্ঠানে বির্তকিত ও যুদ্ধাপরাধী কোনো ব্যক্তি বা তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে জাতীয় পতাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতেও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সচিবালয়ে রোববার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

সকাল ১১টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বৈঠক শুরু হয়ে শেষ হয় সোয়া ১১টার দিকে। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো স্বাধীনতাবিরোধী ও বির্তকিত মানুষ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অতিথি হতে পারবে না বলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়া জাতীয় পতাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং পতাকার অপব্যবহার রোধেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাতীয় পতাকার যথাযথ মাপ, রং, উত্তোলন ও নামানোর সময় নির্ধারণ করে জাতিকে জানিয়ে দেবে। এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারবে।  এটা জেলা-উপজেলা থেকে শুরু যেকোনো পর্যায়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

বিতর্কিত কারা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় নেতারা জানেন, কারা স্বাধীনতাবিরোধী। তারাই সেটা নিশ্চিত করবেন।

স্বাধীনতা বিরোধীদের কোন তালিকা আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের কাছে স্বাধীনতাবিরোধীদের কোন তালিকা নেই। উপজেলার নেতারা জানেন কারা স্বাধীনতা বিরোধী, কারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। জেলা পর্যায়ের লোকজনও জানেন। কাজেই সেইভাবেই জিনিসটি মেইনটেইন করা হবে।’

তিনি বলেন, স্বাধীনত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ও সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জাতীয় স্মৃতিসৌধের সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্বে থাকবে সেনাবাহিনীর ৯ম ডিভিশন। ঢাকা থেকে সাভারের সড়কে কোনো তোরণ নির্মাণ করা যাবে না। বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের বিশেষ নিরাপত্তা স্কোয়াডের মাধ্যমে স্মৃতিসৌধে নিয়ে যাওয়া হবে ও অনুষ্ঠান শেষে পৌঁছে দেওয়া হবে। নৌপথে থাকবে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল। জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে জেলা পুলিশ ও বিভাগীয় কমিশনারদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ ব্যবস্থা জারি থাকবে।

তবে ২৬ মার্চ ঘিরে কোনো ধরনের জঙ্গি হুমকি নেই বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।