স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ছোঁয়ায় চেহারা পাল্টে গেছে কলারোয়া হাসপাতালের


192 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ছোঁয়ায় চেহারা পাল্টে গেছে কলারোয়া হাসপাতালের
অক্টোবর ৪, ২০২০ কলারোয়া ফটো গ্যালারি স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট :
প্রগতিশীল স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ছোঁয়ায় চেহারা পাল্টেছে কলারোয়া হাসপাতালের। রাতের অন্ধকারে এখন আর হাসপাতাল কম্পাউন্ডে নেই ভুতুড়ে পরিবেশ। আলোক উজ্জ্বলতায় রাতের আধারে নেই মাদকদেবীদের আনাগোনা। জোরদার হয়েছে নিরাপত্তা। ফুল, ফলজ বৃক্ষরাজির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও হাসপাতাল ভবনের চাকচিক্যতা চোখে পড়ার মতো। যোগ হয়েছে চিকিৎসাসেবার উন্নতি আর নানান সুযোগ সুবিধা। সবমিলিয়ে সার্বিক ইতিবাচক পরিবর্তন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন সাধারণ মানুষ দিচ্ছেন বাহবা। রোগীদের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক উৎফুল্লতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আর এ সবকিছুই কলারোয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার জিয়াউর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আর প্রগতিশীল চেতনায় সম্ভব হয়েছে। তাঁর উদ্যোগে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকসহ সকল

স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচ এন্ড এফপিও) পদে ৩১-১২-২০১৯ যোগদান করেন যশোরের সন্তান ডাক্তার জিয়াউর রহমান। ২০২০ সালের নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই কাজ শুরু করে অদ্যাবধি নানান পরিবর্তন আর সিস্টেম বদলিয়ে কলারোয়া হাসপাতালকে আস্থায় ফিরিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবার। তাঁর নিয়মিত দেখভাল ও নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগে এসেছে গতিময়তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিগত বছরে হাসপাতালটির ভগ্নদশায় ভবনের দেয়াল থেকে পলেস্তার ও জীর্ণ রং খসে পড়তো। সেগুলো সংস্কার করা হয়েছে, নতুন রঙে সেজেছে গোটা ভবনগুলো। সৌন্দর্যবর্ধনে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়েছে। বিষ খাওয়া রোগীদের পাকস্থলী ওয়াস করার পৃথক কোনো শেড ছিলো না।

সংযুক্ত হয়েছে নতুন শেড। বিগত সময়ে রাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় হাসপাতাল চত্বরে নেমে আসতো ভুতুড়ে পরিবেশ, ছিলো মাদকসেবীদের অভয়ারন্য। এখন গোটা হাসপাতাল চত্বরজুড়ে হাইভোল্টেজ লাইটে রাতের অন্ধকার আলো ফিরেছে। সুযোগ নেই মাদকসেবীদের চলাচলে। সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কমাউন্ডটি। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হয়েছে, হ্রাস পেয়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য। রোগীদের জন্য টিকিট কাউন্টার ও ফার্মেসি একই স্থানে থাকায় অনেককেই অহেতুক বিড়ম্বনার শিকার হতেন, সেটা পৃথক স্থানান্তর করা হয়েছে। নতুন সংযুক্ত হয়েছে আউটডোরে আগত রোগীদের জন্য হেল্প ডেস্ক ও স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র। করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মানতে স্থাপন করা হয়েছে ওয়াশ বেসিন, করোনার নমুনা সংগ্রহের জন্য আধুনিক স্যাম্পল কালেকশন বুথ।

রোগী ও সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের নামের তালিকার বিলবোর্ড, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। ভর্তি রোগিদের সেবার মান বেড়েছে। বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ এই সকল উন্নয়নে কর্মরতদের সাথে নিয়ে সম্পন্ন করেছেন ইউএইচ এন্ড এফপিও ডাক্তার জিয়া।

তিনি বলেন, ‘উদ্যোগ আর প্রচেষ্টায় অনেক কিছু করা সম্ভব। আমি চেষ্টা করছি।

হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাতক্ষীরা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র সহযোগিতায় এগুলো সম্ভব হচ্ছে।’ ‘উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা.মো.
হুসাইন শাফায়ত স্যারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন’- যোগ করেন তিনি।

বলেন, ‘সকলের সহযোগীতায় আমরা এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’ এদিকে, কলারোয়া হাসপাতালের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে নিজের ফেসবুক পেজে স্টাটাস দিয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. গাজী আশিক বাহার। কলারোয়ার খোরদোর সন্তান ডা. আশিক বাহারের চমৎকার লেখনিতে ফুঁটে উঠছে বিষয়টি।