সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চাই সম্মিলিত প্রয়াস : ইলিয়াস কাঞ্চন


245 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চাই সম্মিলিত প্রয়াস : ইলিয়াস কাঞ্চন
ডিসেম্বর ৮, ২০১৮ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের পথিকৃৎ চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন ফলপ্রসূ করতে দেশ ও প্রবাসের সবাইকে আন্তরিক অর্থে সোচ্চার হতে হবে। কারণ, এটি এমন একটি অবস্থা যার শিকার যে কেউ হতে পারে। তাই সবাই যদি আইন অনুযায়ী গাড়ি চালাই এবং ট্রাফিক রীতি মান্য করি তাহলেও সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব।

সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ বা ‘নিসচা’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন ‘একুশে পদক’ পাওয়ায় তার সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। নিসচা’র যুক্তরাষ্ট্র শাখা এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। খবর এনআরবি নিউজের।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা শুধু বাংলাদেশ বা যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা নয়। এই সমস্যা বিশ্বের ছোট-বড়, উন্নত-অনুন্নত সকল দেশের। তাই ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন বিশ্বব্যাপী জোরদার করতে হবে। এজন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ।’

তিনি বলেন, ‘একা কারো পক্ষে ‘নিরাপদ সড়ক’ তৈরি করা সম্ভব নয়। সরকার, জনগণ, আইন-কানুনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকেই ‘নিরাপদ সড়ক’ তৈরিতে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউস্থ স্টার কাবাব রেষ্টুরেন্টের মিলনায়তনে গত ৩ ডিসেম্বর আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির সমাগম ঘটে। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেটের সিনেটর (নির্বাচিত) জন ল্যু।

নিসচা যুক্তরাষ্ট্র শাখার আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টার এবিএম ওসমান গনি, মূলধারার রাজনীতিক ও আসাল-এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটি নেতা মজিবুর রহমান, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির অন্যতম উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন ও মিসবাহ আহমেদ, নিসচা যুক্তরাষ্ট্র শাখার সদস্য-সচিব স্বীকৃতি বড়ুয়া, অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান বাবু, রিপন, শামীম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং ‘জাহানারা কাঞ্চন’সহ দেশে ও প্রবাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।