১২২ কমিটি ইসির


304 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
১২২ কমিটি ইসির
নভেম্বর ২৬, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ২৪৪ জন জুডিসিয়াল কর্মকর্তার সমন্বয়ে ১২২টি ‘নির্বাচনী তদন্ত কমিটি’ বা ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার ইসির এক পরিপত্রে এই কমিটি গঠন করা হয়। একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী অপরাধের বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভোটের মাঠে থাকবেন দেড় হাজার জুডিসিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ইসি-সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, তফসিল ঘোষণার পর এ পর্যন্ত ছয় শতাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নেমেছেন। আরও নামবেন ৬৪০ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। তবে তারা ভোটের আগের দিন, ভোটের দিন ও পরের দুই দিন মোট চার দিন মাঠে থাকবেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা থেকে ফল গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত কোনো প্রার্থী, তার সমর্থক বা অন্য কেউ আইন ও বিধি লঙ্ঘন করলে বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তাদের সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে সাজা দেবেন এসব ম্যাজিস্ট্রেটরা।

৩০০টি নির্বাচনী এলাকার প্রতিটিতে দু’জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আগামী ২৯ ডিসেম্বর মাঠে নামবেন। তারা ১ জানুয়ারি পর্যন্ত চার দিন দায়িত্ব পালন করবেন। একাধিক উপজেলা বা উপজেলার অংশ নিয়ে গঠিত নির্বাচনী এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা বা উপজেলার অংশ বিশেষের জন্য একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হবে। সব মিলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২৪০ জনে।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, আগামী ১০ ডিসেম্বর ৩০০ সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবে ইসি। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে প্রার্থীদের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। সাধারণত প্রচারের সময়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, তির্যক বাক্য-বিনিময় এবং একে অন্যকে ঘায়েল করার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্নিষ্টরা।

ইভিএম নিয়ে সিইসিকে সুপ্রিম কোর্ট বারের চিঠি: নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। সোমবার সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। সমিতির সহ-সভাপতি ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁঁইয়া, ট্রেজারার নাসরিন আক্তার ও অ্যাডভোকেট মো. আহসান উলাহ ইসির প্রাপ্তি জারি শাখায় এ সংক্রান্ত চিঠি জমা দেন।

এতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের সংবিধানের নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে ইভিএম ব্যবহারের একক সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করছে। কারণ, বাংলাদেশের সংবিধানের কোথাও ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো কথা নেই।