২০ মে সাতক্ষীরা আসছেন পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন


396 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
২০ মে সাতক্ষীরা আসছেন পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন
মে ৫, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আমিনা বিলকিস ময়না ::
ওয়ার্কার্স পার্টির জনসভা সফল করতে প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহবায়ক ফাহিমুল হক কিসলু ও কমরেড শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ২০ মে শনিবার বিকাল তিনটায় সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষন দেবেন পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি।

শুক্রবার সকাল দশটায় সাতক্ষীরার পুরাতন আইনজীবী সমিতির হল রুমে অনুষ্ঠিত পার্টির সদর উপজেলার কর্মী সভার ৯১ সদস্য বিশিষ্ট প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির সদর উপজেলা কমিটির সম্পাদক ফাহিমুল হক কিসলু। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সামগ্রিক দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য

দেন পার্টির জেলা কমিটির সভাপতি ও সাতক্ষীরা ১ আসনের  সংসদ সদস্য কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বক্তব্য রাখেন পার্টির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মহিবুল্যা মোড়ল, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড সাবীর হোসেন, কমরেড ময়নুল হাসান, জেলা কমিটির সদস্য কমরেড  স্বপন কুমার শীল প্রমূখ।

সভা পরিচালনা করেন পার্টির সদর উপজেলা কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি বলেন, গত ২৮শে মার্চ তালার কুমিরায় অনুষ্ঠিত জনসভায় পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি সাতক্ষীরাবাসীর পক্ষে প্রদানকৃত দাবির প্রতি সংহতিমূলক যে বক্তব্য রেখেছিলেন তার পক্ষে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

২০ মে সাতক্ষীরার জনসভায় এসে শ্যামনগরে পর্যটনের উন্নয়নমূলক কাজেরও সূচনা করবেন। একই সাথে সাতক্ষীরার জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। এই জনসভা সাতক্ষীরাবাসীর জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। জনসভাকে সফল করার জন্য পার্টির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমরেড নির্মল সরকার, কমরেড মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, কমরেড অজিত মন্ডল, কমরেড ছাদিকুর রহমান, কমরেড আমিনা বিলকিস ময়না, কমরেড উৎপল মন্ডল, কমরেড শিবপদ গাইন, কমরেড জিয়ারুল ইসলাম, কমরেড আলী হোসেন, কমরেড মকবুল হোসেন, কমরেড মিজানুর

রহমান, কমরেড ধ্রুব সরকার, কমরেড প্রতাপ ঘরামী, কমরেড প্রণয় সরকার, কমরেড অনিমেষ সরকার, কমরেড দেবাশীষ সরকার, কমরেড সাকিব মোড়ল, কমরেড নিসার আলী, কমরেড শামসুজ্জামান, কমরেড জাহিদ, কমরেড মোহসিনা মুক্তা, কমরেড রাশেদ রেজা তরুন, কমরেড মাশহাদুল রহমান সোহাগ, কমরেড

সোহাগ হোসেন, কমরেড আবু হাসান, কমরেড দেবাশীষ মন্ডল, কমরেড বিশ্বনাথ কয়াল, কমরেড ফিরোজ বিশ্বাস, কমরেড নবকুমার মন্ডল, কমরেড আনোয়ার হোসেন, কমরেড হুমায়ুন কবির, কমরেড রবিউল ইসলাম, কমরেড শামিম হোসেন বাবু, কমরেড অজিহার রহমান, কমরেড আবুল কালাম, কমরেড সুমন মন্ডল, কমরেড মাহমুদুল হাসান, কমরেড আব্দুল আজিজ, কমরেড মো: খোকন, কমরেড মফিজুর রহমান প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, হঠাৎ করে বাংলাদেশ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশবাসী উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার সাথে লক্ষ্য করছে যে ২০১৪ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানী ঢাকায় রাজাকার মুজাহিদ কমান্ডার শফি হুজুরদের নেতৃত্বে তান্ডব সৃষ্টি করেছিল। হেফাজতে ইসলাম নামের একটি বরবার প্রতিষ্ঠান।

যারা নারী- পুরুষ, সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, গাছপালা কেটে, যানবাহন- দোকানপাট- ব্যাংক-ভবনে অগ্নিসংযোগ সৃষ্টি করে ইতিহাসের ভয়ানক তান্ডব সৃষ্টি করেছিল। কল্পিত মন্ত্রীসভা গঠন করেছিল সেই হেফাজতের প্রস্তাবনায় দেশের মুল অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মুল্যবোধের উপর আঘাত হানছে শাষকগোষ্ঠী পাঠ্যপুস্তকে বিকৃতি ঘটাচ্ছে।

সমাজ অগ্রগতির চাকাকে পেছনে ঠেলে দিয়ে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে, বাল্য বিয়ে এসবকে মেনে নিচ্ছে। হাইকোর্টের ন্যায়বিচারের প্রতীক সরানোর মতো নতজানু মনোভাব দেখাচ্ছে। এসবের ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে নস্যাত করে শাষকগোষ্ঠি তার রাজনৈতিক দৃঢ়তা নষ্ট করছে।

এরা একাত্তরের ঘাতক মৌলবাদী জামাত শিবিরের বি টিম। এদেরকে এখনই প্রতিহত করা না গেলে রাষ্ট্রের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে বাংলাদেশে এরা খুন হত্যা ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিষবৃক্ষ প্রতিষ্ঠা করবে।
##