২৩ মার্চ সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন


346 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
২৩ মার্চ সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন
মার্চ ২০, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
দীর্ঘ সাত বছর পর ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। উপজেলা থেকে নির্বাচিত হয়ে আসার পর ২১ জন সদস্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন। সদর উপজেলায় এ নির্বাচনে ৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮০০ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ৪টি সদস্য পদের বিপরীতে সদর উপজেলায় প্রার্থী হয়েছেন ১৩ জন।  প্রার্থীরা ইতোমধ্যে স্কুলে স্কুলে গিয়ে ভোটারদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। প্রার্থীরা হলেন অরুপ সাহা, আবুল বাশার, এসএম মোর্তজা, বি. এম শামছুল হক, আজমল হোসেন, আব্দুল জব্বার, নজিবুল ইসলাম, মাখন লাল সরকার, মিজানুর রহমান, মুজিবর রহমান, লিয়াকত আলী, শাহিনুর রহমান ও সুলতানা নার্গিস। এদের মধ্যে অরুপ সাহা ও আজমল হোসেন আগের কমিটিতে ছিলেন। বাকী ১১ জন নতুন মুখ। এদিকে শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতির নির্বাচন তিন বছর পরপর অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার চার বছর পর। অর্থাৎ সাত বছর পর অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে নানা কৌতুহল। ক্ষোভ তো আছেই। বিগত কমিটির নেতৃবৃন্দকে তুলোধনা করছেন প্রার্থীরা। শিক্ষকদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের টাকায় প্লট ব্যবসা করে বিগত কমিটির নেতারা নিজেদের ভাগ্য বদল করেছেন। সমিতিকে তলা বিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে বিগত কমিটি। ২০১২ সালে সর্বশেষ ৫ কাঠার একটি প্লট বিক্রির দায়িত্ব পান সহকারি সচিব অরুপ সাহা। ৩৫ হাজার টাকা কাঠা দরে প্লট কিনে ৭০ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে ২লক্ষ ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কারণে অরুপ সাহার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলা নং সিআরপি ২১১/১৬। আদালত মামলাটির তদন্তভার দেয় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপর। আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী ও সাক্ষীদের কাছে কোনো কিছু না শুনেই এবং শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ সমিতির রেজুলেশনকে উপেক্ষা করে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে গোপনে প্রতিবেদন দাখিল করায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে শিক্ষকদের মধ্যে। যদিও সে প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মামলার বাদী আদালতে নারাজী দিয়েছেন। নারাজী আদলতে শুনানীর অপেক্ষায় আছে। শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির শতশত শিক্ষক এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব তথ্য দিয়ে জানান, অরুপ সাহাকে বিগত নির্বাচনে আমরাই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলাম চুরি ধরার জন্য। শেষে চুরি ধরতে গিয়ে তিনি নিজেই সমিতির টাকা আত্মসাৎ করে চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনি কৃতকর্ম ঢাকতে নানা অপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন বলেও জানান শিক্ষকরা। সমিতির স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকান্ডে লিপ্ত থেকে তিনি শিক্ষক কর্মচারীদের বিষিয়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।