৫ দিনের রিমান্ডে শফিক রেহমান


289 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
৫ দিনের রিমান্ডে শফিক রেহমান
এপ্রিল ১৬, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা পরিকল্পনা মামলায় গ্রেফতার সাংবাদিক শফিক রেহমানকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মাজাহারুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এর আগে সকালে রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে বিএনপিঘনিষ্ঠ এই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

পরে দুপুরে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে তোলা হয়। আদালতে শফিক রেহমানের পক্ষে রিমান্ড আবেদনের বিরোধিতা করা হয়।

আবেদনের শুনানি শেষে আদালত শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সাথে শারীরিক অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে তাকে সতর্কতার সাথে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন আদালত।

শফিক রেহমানের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) উপকমিশনার মাসরুকুর রহমান খালেদ জানান, সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ২০১৫ সালে পল্টন থানায় দায়ের একটি মামলায় শফিক রেহমানকে শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার ওই ঘটনার মামলায় শফিক রেহমানের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাওয়ার পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিএনপিঘনিষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমানের স্ত্রী তালেয়া রেহমান জানান, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন লোক তাদের বাসায় ঢুকে শফিক রেহমানকে তুলে নিয়ে যান।

এদিকে, এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে সাংবাদিক শফিক রহমানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও তার মুক্তি দাবি করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ৯ মার্চ একটি জিডির তদন্ত শেষে আদালতের অনুমতি নিয়ে ৩ আগস্ট রমনা থানায় পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফজলুর রহমান ওই মামলাটি করেন যাতে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার এক নেতাসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

ওই মামলায় বলা হয়, ২০১১ সালে জাসাসের সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও তার নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চ পর্যায়ের যোগসাজশে প্রধানমন্ত্রীপুত্র জয়কে অপহরণের পর হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তারা পল্টনে জাসাস কার্যালয়, আমেরিকার নিউইয়র্ক শহর ও যুক্তরাজ্যে বৈঠক করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গাতেও তারা একত্র হয়ে ষড়যন্ত্র করেন।

পরিদর্শক ফজলুর রহমান তখন সমকালকে জানিয়েছিলেন, জয়কে অপহরণ ও হত্যার চেষ্টা করা হচ্ছিল ২০১১ সাল থেকে। এসব ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে মামলাটি করা হয়েছে।