৬২ ধনীর কাছে বিশ্বের অর্ধেক সম্পদ!


312 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
৬২ ধনীর কাছে বিশ্বের অর্ধেক সম্পদ!
জানুয়ারি ১৯, ২০১৬ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দরিদ্রতম অর্ধেক মানুষের যে সম্পদ রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র
৬২ জনই সেই একই পরিমাণ সম্পদের মালিক। ব্রিঠিশ দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফামের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের

ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার সম্পদের বৈষম্যের এই চিত্র একটি পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। গত পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০১০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ওই অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সম্পদ ৪১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অথচ একই সময়ে সবচেয়ে ধনী ওই ৬২ ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ অর্ধেক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বেড়ে তা ১.৭৬ ট্রিলিয়ন ডলারে  দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্পদের এই পার্থক্য শুধু গত এক বছরেই সবচেয়ে বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়েছে। ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা অক্সফামের এক গবেষণা প্রতিবেদনে ধনী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যকার সম্পদের পার্থক্যের হতাশাজনক এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

‘বিশ্বের এক শতাংশ জনগোষ্ঠীর অর্থনীতি’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনটি ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের চলতি বছরের বার্ষিক বৈঠক সামনে রেখে প্রকাশ করা হলো। সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে ২০-২৩ জানুয়ারি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বব্যাপী ধনী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যকার সম্পদের পার্থক্য যে বাড়ছে তাই প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে এ পার্থক্য আরো প্রসারিত হচ্ছে বলে গবেষণায় দেখা যায়।

অক্সফামের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে বিশ্বের ৩৮৮ জন ধনী ব্যক্তি বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দরিদ্রতম অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সমান সম্পদের মালিক ছিল। ২০১১ সাল শেষে এ সংখ্যা ১৭৭-এ নেমে আসে। এর পর প্রতি বছরই তা কমতে কমতে ২০১৪ সালে ৮০ তে এবং গত বছর তা ৬২ তে এসে ঠেকে।

অক্সফাম ব্রিটেনের প্রধান নির্বাহী মার্ক গোল্ডরিং ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সম্পদের পার্থক্যের এ চিত্রকে হতাশাজনক বলে বর্ণনা করেছেন।  তিনি বলেন, ‘এটা স্বাভাবিকভাবেই অগ্রহণযোগ্য যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দরিদ্রতম অর্ধেক জনগোষ্ঠীর মোট সম্পদ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের মাত্র একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর চেয়ে কম…ওই গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা এতই কম যে আপনি চাইলে তাদের সবাইকে একটি কোচে স্থান দিতে পারবেন।’

সম্পদের বৈষম্যের এ চিত্রের পরিসমাপ্তি ঘটাতে বিশ্বব্যাপী ‘কর স্বর্গে’ সরকারি অভিযান অত্যাবশ্যকীয় পদক্ষেপ বলে মত দেন মি. মার্ক।