৯০ বছর বয়েসের রোগীর জন্যও এমআইসিএস সার্জারি পদ্ধতি নিরাপদ : রানা দাশ গুপ্ত


183 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
৯০ বছর বয়েসের রোগীর জন্যও এমআইসিএস সার্জারি পদ্ধতি নিরাপদ : রানা দাশ গুপ্ত
জানুয়ারি ১৮, ২০২৩ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

কার্ডিয়াক সার্জারির ৯৫ ভাগ এমআইসিএস’র মাধ্যমে করা যেতে পারে

অ্যাপোলো ৪ হাজার কার্ডিয়াক সার্জারি করেছে এমআইসিএস পদ্ধতিতে

এম কামরুজ্জামান, কলকাতা থেকে ফিরে :

অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রানা দাশ গুপ্ত বলেন, চিকিৎসার জন্য এখন আর দিল্লী, চেন্নাই, ভেলোর, হাইদ্রাবাদ বা ভারতের অন্য কোন প্রদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কলকাতা বসেই যেকোন উন্নতমানের আধুনিক চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে গেলে ভাষা তাদের জন্য একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ভাষা, সংস্কৃতির কোন পার্থক্য নেই। দুই বাংলার মানুষের ভাষা একই হওয়ার কারনে বিশেষ করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়।

রানা দাশ গুপ্ত অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের “মিনিম্যালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এমআইসিএস)” চিকিৎসা পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা প্রসঙ্গে বলেন, এমআইসিএস’র একাধিক ইতিবাচক পয়েন্টের কারণে রোগীর চিকিৎসায়, অস্ত্রোপচারে অতুলনীয় ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, রোবোটিক সার্জারি নিরাপদ, কার্যকরী এবং রোগীকে অসামান্য স্বস্তি প্রদান করে। এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা হলে একজন রোগী ২-৩ সপ্তাহের সেরে উঠবেন এবং ৩ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। এর পরিবর্তে যদি কোনও রোগী প্রচলিত পদ্ধতি বেছে নেন তবে তাঁর সাধারণত ২-৩ মাস সময় নিয়ে পুনরায় কাজে যোগদান করতে পারবেন, মোটামুটি ৬ মাস সময় লেগে যাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে।

বাইপাস, ভালভ প্রতিস্থাপন, হার্টের ছিদ্র বন্ধ করা, কার্ডিয়াক টিউমার অপসারণ, পেস মেকার ইমপ্লান্টেশন এবং অন্যান্য সহ সমস্ত কার্ডিয়াক সার্জারির ৯৫% এমআইসিএস’র মাধ্যমে করা যেতে পারে। এটি এমনকী ৮০-৯০ বছরের বেশি বয়েসের রোগীদের জন্যও এই পদ্ধতিটি নিরাপদ।

গত ১৪ জানুয়ারি অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের সভাকক্ষে বাংলাদেশ থেকে আসা সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা কালে কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী এসব কথা বলেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার বিষয়টি তুলে ধরার পাশাপাশি হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিটের পরিসেবা ঘুরে ঘুরে দেখানো হয় সাংবাদিকদের।

হাসপাতালটির প্রধান নির্বাহী রানা দাশ গুপ্ত সাংবাদিকদের আরও বলেন, আমরা গত এক দশক থেকে এমআইসিএস করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং করে আসছি। এ ধরনের ৪ হাজারটিরও বেশি অস্ত্রোপচার করেছে অ্যাপোলো হাসপাতাল।

রানা দাশ গুপ্ত বলেন, আমার জম্ম বাংলাদেশের বরিশালে। সঙ্গতকারনেই বাংলাদেশি রোগিদেরপ্রতি আমার ভালোবাসা অনেক বেশি। বাংলাদেশি রোগিরা যাতে কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে এসে দ্রুত পরিসেবা পায় সেজন্য ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ককে আলাদা ভাবে সাজানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক পরিসেবা নিয়ে রোগিরা ফিরতে পারবে।

অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রানা দাশ গুপ্ত ছাড়াও এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোলজি বিভাগের প্রধান ডা. মহেশ গ্যাঙ্কা ও হাসপাতালটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা অভিজিৎ মজুমদার।