শ্যামনগর জনপদে স্বাস্ছন্দ্যে চিংড়ীতে পুশ


400 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
 শ্যামনগর জনপদে স্বাস্ছন্দ্যে চিংড়ীতে পুশ
ডিসেম্বর ১২, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email


এস কে সিরাজ,শ্যামনগর :
সাদা সোনা খ্যাতো সেই চিংড়ী শিল্পটি আজ ধংস্বের দার প্রান্তে। তদারিকতা, নজরদারী, ও দায়িত্বশীলতার অভাবে এ চিংড়ী শিল্পটি আজ দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে।
একটি মাছ আজ সারা দুনিয়ার কাছে সাতক্ষীরা- কে খুব দ্রুত পরিচিত করে দিয়ে ছিল, এমনকি সাদা সোনা নামে খ্যাত হয়েছিল।
অথচ এই মুল্যবান চিংড়ী শিল্পটির রক্ষার দ্বায়িত্বে যারা আছেন, তাদের মধ্যে কেন এতো অনিহা?  ।
উপজেলার  নওয়াবেকী, কাশিমাড়ী, নুরনগর, বংশ্বীপুর, কলবাড়ী, ভেটখালী ও মুন্সিগন্জ সহ প্রায় সর্বত্রের  বাজার এলাকার মৎস্য ডিপো ও গ্রাম গন্জের বাস গৃহে প্রকাশ্যে বাগদা চিংড়ীতে চলছে লাগামহীন পুশ। বিষয় স্থানীয় পত্রিকায় ও সামাজিক মাধ্যম গুলোতে নির্দিষ্ট ভাবে সহ নাম ঠিকানা উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
এতে বরং দ্বায়িত্বশীল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বিরক্ত হয়েছেন। বার বার বিষয়টি নিয়ে গন মাধ্যম সহ সর্বত্রে আলোচনার  ঝড় থাকলে ও সৎস্য কর্মকর্তা একবার কোন অভিযান, জরিমানা বা আইনগত ব্যবস্থা নেন নি। বরং তাদের সাথে আরো জোরে সরে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। শ্যামনগরে প্রায় তিনি দেড় বছরের অধিক সময় পার করলেও কোন অভিযান তার দ্বারা পরিচালিত হয়নি।
এলাকার সচেতন মহল বার বার অভিযোগ করে ব্যার্থ হয়েছে বলে এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে একাধিক।
তবে তাকে  কাকড়া, কুচিয়া প্রকল্প নিয়ে ব্যাপক দৌড় ঝাপ শুরু করতে দেখা গেছে।
যেখানে টাকা সেখানেই তিনি আছেন। কাকড়া, কুচিয়া প্রকল্পে প্রদর্শনীয় খামার মালিকদের  খামার তৈরীর বাবদ কিছু টাকা দিয়ে বাকী টাকার  নেট পাটা বাবদ, কিছু খাদ্য সামগ্রী ক্রয় বাবদ, চারা কাকড়া বা কুচিয়া ক্রয় করতে যথ সামান্য টাকা নিজেই খরচ করে বাকী টাকা তিনি আত্বসাত করে চলেছেন, বলে এমন অভিযোগ রয়েছে।সরকারী ভাবে বরাদ্ধের টাকা খামারীদের দ্বারা খরচ না করে তিনি নিজেই  নিজের মত করে খরচ করে থাকেন। চলতি ২০১৫ – ২০১৬ অর্থ বছরে প্রায় এ বাবদ ১৫/ ২০ টাকা বরাদ্ধ এসেছে।
সম্প্রতিক সময়ে তিনি ট্রেনিং থাকা কালীন সময় মৎস্য কর্মকর্তাকে ভাগ না দিয়ে প্রথম বরাদ্ধের মোটা অংশ তার অফিস হাফিজুর রহমান আত্বসাত করায় তাদের মধ্যে ব্যাপক বাক বিতন্ড হয়। এক পর্য্যায়  তিনি নিজেই  অফিস সহকারী হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে  উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন।
তারপর থেকে অফিস নিজের কন্ট্রোলে রেখে চালিয়ে যাচ্ছে শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসেন সাগর তার তেলেসমাতি কার্য্যক্রম।
শ্যামনগর বাসী তার অপসারনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট্য  উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের  হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।####