শ্যামনগরে জেলা পরিষদের পুকুরের মাছ জোরকরে ধরেনিয়ে গেছে জেলা পরিষদ সদস্য মুকুল!


409 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগরে জেলা পরিষদের পুকুরের মাছ জোরকরে ধরেনিয়ে গেছে জেলা পরিষদ সদস্য মুকুল!
মে ২৯, ২০১৮ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

 

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্যামনগরে জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম মোস্তফা মুকুলের নেতৃত্বে জেলা পরিষদের শ্যামনগরে মিঠা চন্ডীপুর পুকুরের মাছ লুট করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। এ ব্যাপারে শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা পরিষদ সদস্য মুকুল এর সাথে কথা বলার জন্য তার সেলফোনে ভয়েস অব সাতক্ষীরা অফিস থেকে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। ফোনটি বার বার কেটে দেন।

প্রাপ্ত তথ্যে জানাযায়,শ্যামনগর উপজেলার মিঠা চন্ডীপুর জেলা পরিষদের পুকুরটি দীর্ঘদিন পুকুরের পাশে স্থাপিত শীতলা মনসা মন্দিরের নামে ইজারা হয়ে আসছে। মন্দিরের সভাপতি দিলীপ তরফদার জানান,এবছরেও ইজারা নেওয়ার জন্য কাগজপত্র জেলা পরিষদে নির্ধারিত সময় জমা দেওয়া আছে। এমতাবস্থায় পুকুরের মাছ জোরপূর্বক লুট করার জন্য কয়েকদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য সাবেক শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সদস্য মোঃ গোলাম মোস্তফা মুকুল মুঠোফোনে হুমকি দিতে থাকে। এর এক পর্যায়ে গত ২৬মে কাকডাকা সকালে মুকুল নিজে তার লোকজন নিয়ে এসে জাল টেনে জোরপূর্বক আনুমানিক ২ লক্ষ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এবং কাউকে জানালে দিলীপকে দেশছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসে। সুনীল বিশ্বাসের পুত্র অরুন ঘোষের সামনে রামদেবনাথের পুত্র গণেশ দেবনাথের মটর ভ্যানে করে যাবতীয় মাছ সোনার মোড়ের কাটায় নিয়ে যায় বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভ্যানচালক গণেশ দেবনাথ।
এব্যাপারে দিলীপ তরফদার বাদী হয়ে শ্যামনগর থানা ও জেলা পরিষদে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে দিলীপ জানান।

 

বিষয়টি জানতে চাইলে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বলেন,আইন কারও ব্যক্তিগত গতিতে চলবে না,সবার জন্য সমান। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলকে থানা এবং আমার কাছে অভিযোগ করতে বলেছি। প্রমাণ হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত এ পুকুরটি হরিলুট করায় শ্যামনগরে এ সম্প্রদায়টির মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।