সাতক্ষীরার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান


241 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান
এপ্রিল ৪, ২০১৭ ইতিহাস ঐতিহ্য ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
কপোতাক্ষ নদ উপজেলা থেকে গরুঘাটার মোর থেকে মোটর সাইকেল কিংবা নসিমন যোগে যাওয়া যায়।                        কলারোয়া, সাতক্ষীরা

 

 

সাতক্ষীরার দর্শনীয় নলতা শরীফ সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম একটি উপজেলা কালীগঞ্জ। এ উপজেলারই একটি গ্রাম নলতা। নলতা বাস স্ট্যান্ডেই এই মাজার শরীফের অবস্থান। সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম একটি উপজেলা কালীগঞ্জ। এ উপজেলারই একটি গ্রাম নলতা। শান্ত, শ্যামল ও সৌম্য এ গ্রামটি আজ দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

 

 

ঐতিহাসিক গির্জা শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ৭৫ কিলোমিটার। রাস্তার নাম সাতক্ষীরা শ্যামনগর সড়ক (স্থান-শ্যামনগর)। স্পটে পৌছানোর ব্যয় ৬৫.০০ টাকা। ভ্রমণের জন্য পাওয়া যায় বাস ও ভ্যান। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামে বাংলাদেশের প্রথম খ্রিস্টান গির্জা অবস্থিত ছিল

 

 

 

গুনাকরকাটি মাজার প্রয়োজনীয় তথ্য শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ৩৫ কিলোমিটার। রাস্তার নাম সাতক্ষীরা-আশাশুনি-দরগাহপুর সড়ক। স্পটে পৌছানোর ব্যয় ৪০ টাকা। ভ্রমণের জন্য পাওয়া যায় বাস, বেবী টেক্সি রিকসা, ভ্যান আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি গ্রামে অবস্থিত হজরত ‌শাহ আজিজ (র:) এর রওজা শরিফ

 

 

জোড়া শিবমন্দির প্রয়োজনীয় তথ্য শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ৮ কিলোমিটার। রাস্তার নাম ছয়ঘড়িয়া সড়ক। স্পটে পৌছানোর ব্যয় ২০ টাকা। ভ্রমণের জন্য পাওয়া যায় বাস/রিকসা/ ভ্যান। সাতক্ষীরা শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার উত্তরে আছে ‘ছয়ঘরিয়া জোড়া শিবমন্দির, নানা বৈচিত্র্যের টেরাকোটা ইটে নির্মিত ‘ছয়ঘরিয়া জোড়া শিবমন্দির, ।

 

 

 

তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ২৫ কিলোমিটার। রাস্তার নাম তালা -পাইকগাছা সড়ক। স্পটে পৌছানোর ব্যয় ৩৫ টাকা। ভ্রমণের জন্য পাওয়া যায় বাস, বেবী টেক্সি রিকসা, ভ্যান। উপজেলা মধ্যে বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থান আছে । বিশেষকরে এ‌ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামটি নানা কারণে খ্যাত

 

 

শ্যামসুন্দর মন্দির প্রয়োজনীয় তথ্য শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ৪৫ কিলোমিটার। রাস্তার নাম ।সাতক্ষীরা-যশোর সড়ক, কলারোয়া-সোনাবাড়ীয়া সড়ক স্পটে পৌছানোর ব্যয় ।৬০ টাকা ভ্রমণের জন্য পাওয়া যায় বাস, বেবী টেক্সি রিকসা, ভ্যান। উপজেলা সদরের আট কিলোমিটার পশ্চিমে সোনাবাড়িয়া গ্রামে অপুর্ব শিল্প সৌন্দর্য অঙ্গে ধারণ করে একটি তিনতলার মন্দির আজো টিকে আছে । এর নাম ‘শ্যামসুন্দর মন্দির’

 

 

সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি জনপদ সোনাবাড়িয়া। ২শ’ বছর আগের গোটা সোনাবাড়িয়াজুড়ে জমিদার শাসনের নিদর্শন ছড়িয়ে আছে। এমনই এক প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির। প্রায় ৬০ ফুট উঁচু টেরাকোটা ফলক খচিত শ্যামসুন্দর মন্দিরটি আজও দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন স্থাপত্যের অনুরূপ নিদর্শন হয়ে কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি জনপদ সোনাবাড়িয়া। ২শ’ বছর আগের গোটা সোনাবাড়িয়াজুড়ে জমিদার শাসনের নিদর্শন ছড়িয়ে আছে।

 

 

লিমপিড বোটানিক্যার গার্ডেন যাতায়াত-সাতক্ষীরা কালীগজ্ঞ মহাসড়কের পারুলিয়া কদবেলতলা মোড় হতে সুবর্নাবাদ রোডের ১ কিঃ মিঃ দূরে পূর্ব গা ঘেষে লিমপিড বোটানিক্যার গার্ডেন অবস্থিত। পারুলিয়া, ফুলবাড়িয়া

 

 

 

 

রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড়ে নেমে ডান দিকের রাস্তা দিয়ে সোজা দেবহাটা থানা মোড়ে নামতে হবে। এখান থেকে মোটর সাইকেল অথবা ইঞ্জিন ভ্যান যোগে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দূরে আপনি রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রে যেতে পারবেন। দেবহাটা উপজেলার দেবহাটা ইউনিয়নে

 

 

 

 

 

লিমপিড গার্ডেন সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়কের পারুলিয়া সরদার বাড়ি মোড় থেকে ভ্যান যোগে পারুলিয়া লিমপিড গার্ডেনে যাওয়া যায়। দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নে

 

 

 

 

ঐতিহাসিক বনবিবি বটতলা

 

 

 

 

সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড় থেকে ডানদিকের রাস্তাধরে সোজা দেবহাটা উপজেলা পরিষদ মোড়ে আসতে হবে। এখান থেকে আপনি ঐতিহাসিক এই বনবিবি বটতলা স্থানটিতে যেতে পারবেন। এই অপরূপ সুন্দর বটবৃক্ষের সবুজ পাতা দিয় সাজানো প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে বসে খুব সহজেই প্রাকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড় থেকে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ মোড় পর্যন্ত সম্পূর্ণ পিচঢালা রাস্তা। সখিপুর মোড় থেকে আপনি ইঞ্জিন ভ্যান বা মটর সাইকেল ভাড়া করে ( ইঞ্জিন ভ্যান ভাড়া- ৮/- টাকা, মটর সাইকেল ভাড়া- ২০/- টাকা) আসতে পারবেন। দেবহাটা উপজেলার দেবহাটা ইউনিয়ন

 

 

 

 

 

দেবহাটা জমিদার বাড়ী

 

 

সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড় থেকে ডানদিকের রাস্তাধরে সোজা দেবহাটা উপজেলা পরিষদ মোড়ে আসতে হবে। এখান থেকে আপনি দেবহাটা জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।

 

 

দেবহাটা ইউনিয়নের টাউনশ্রীপুর গ্রামে

 

 

 

 

 

 

টাকীর ঘাট (ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদীর তীরে)

 

 

 

 

 

সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড়ে নেমে ডান দিকের রাস্তা দিয়ে সোজা দেবহাটা থানা মোড়ে নামতে হবে। এখান থেকে মোটর সাইকেল অথবা ইঞ্জিন ভ্যান যোগে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দূরে আপনি টাকীর ঘাট যেতে পারবেন।

 

 

 

 

দেবহাটা ইউনিয়নের টাউনশ্রীপুর

 

 

 

 

ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চিহ্নিত ইছামতি নদী

 

 

সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ রোডের সখিপুর মোড় থেকে ডানদিকের রাস্তাধরে সোজা দেবহাটা থানা মোড়। এখানে নেমে থানার পিছন দিয়ে আপনি নদীর পাড়ে যেতে পারবেন। খুব সহজেই নদীর পাড়ে দাড়িয়ে পালতোলা নৌকা, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য এবং ভারতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও উপভোগ করা যায়।

 

 

দেবহাটা থানা সংলগ্ন

 

 

 

 

মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট

 

 

 

 

ঢাকা থেকে সড়ক পথে সাতক্ষীরা সদর ।ঢাকা থেকে সড়ক পথে দুরত্ব ২৮৭ কিঃমিঃ সময়-৭/৮ ঘন্টা।

 

 

 

 

সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র (জিরো পয়েন্ট) হতে কয়েক কিলোমিটারপশ্চিমে ।

 

 

 

মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত

 

 

 

 

শহর থেকে আনুমানিক দুরত্ব ১৬০/১৭০ কিলোমিটার। রাস্তার নাম সাতক্ষীরা শ্যামনগর মুন্সিগঞ্জ সড়ক স্থান-মান্দারবাড়িয়া।

 

 

 

 

মান্দারবাড়িয়া,সাতক্ষীরা

 

 

 

 

 

সাত্তার মোড়লের স্বপ্নবাড়ি

 

 

 

 

 

সাতক্ষীরা শহর থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূর কালীগঞ্জ। উপজেলা সদর থেকে আরো প্রায় ১২ কিলোমিটার বাঁশতলা বন্দকাঠির বাড়ি

 

 

 

 

 

সাতক্ষীরা শহর

 

 

 

 

 

প্রবাজপুর মসজিদ সাতক্ষীরা থেকে মুকুন্দপুর, মুকুন্দপুর থেকে প্রায় ২ মাইল পূর্বে যমুনা-ইছামতি নদীর পূরান তীরবর্তী এলাকায় প্রবাজপুর গ্রামে মসজিদটি রয়েছে। মুকুন্দপুর, সাতক্ষীরা।