শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি’র বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন


175 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি’র বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
মে ১৪, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শিক্ষা সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

॥ স্টাফ রিপোর্টার  ॥
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালকের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলার বহুল আলোচিত এ্যডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আকতারুজ্জামান ও তার স্ত্রী সেলিনা সুলতানার জাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে নেওয়া চাকরি সহ বেশ কয়েক জন প্রভাষক নিয়োগে দূর্নীর অভিযোগ প্রমানিত হওয়া সত্বেও তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষা বোর্ড এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে সময় ক্ষেপনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।
রোববার সকাল ১১ টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওমীপার্টি ন্যাপ জেলা শাখার  আয়োজনে এ  মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসুচি পালিত হয়।
কর্মসূচিতে জেলা ন্যাপের সভাপতি হায়দার আলী সান্তর সভাপত্বিতে বক্তব্য রাখেন জেলা ন্যাপের সাধারন সম্পাদক কাজী সাঈদুর রহমান, জাসদের সাধারন সম্পাদক ইদ্রিস আলী,  জেলা আওয়ামী বাস্তহারা লীগের সাধারন সম্পাদক আঃ সামাদ, জেলা ছাত্র লীগের সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম, আব্দুস  ছাত্তার, মুনসুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা বিনেরপোতায় অবস্থিত বহুল আলোচিত এ্যডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আকতারুজ্জামান অবৈধ পন্থায় তার স্ত্রী সেলিনা সুলতানার জাল সার্টিফিকেটে দিয়ে চাকুরি দেন এবং অবৈধ উপায়ে বেতন উত্তলন করেন।
এছাড়া প্রভাষক সমর পাল, প্রভাষক হুমায়ুন কবীর, প্রভাষক শাহাজাহান কবিরসহ ৫জন শিক্ষক অবৈধ ভাবে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সর্বমোট  কোটি ২০ লক্ষ টাকা বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন। যেটি সম্পূর্ন অবৈধ।
দুর্নীতির বিষয়টি তুলে ধরে সাতক্ষীরা জেলা ন্যাপ এর সম্পাদক কাজী সাঈদ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালোকের কাছে অভিযোগ করেন। এর পরিপেক্ষিতে গত ১৬ সালের ৫ মার্চ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর এর সহকারি পরিচালক (এইচআরএম) আশেকুল হক সরজমিনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজেপান। ১৯১৬ সালের ২৪ নভেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে তদন্ত প্রতিবেদনে দাখিল করেন। ফলে অনিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়টি প্রমানিত বলে জানাযায়। আর সেলিনা সুলতানার জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরি নিয়ে অবৈধ ভাবে বেতন উত্তোলনের বিষয়টি নিয়ে ফোসদারি মামলা করার জন্য তিনি তদন্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ করেন। কিন্তু দেড় বছর অতিবাহিত হলেও মহাপরিচালক তার দপ্তর থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।
###