কলারোয়া হাজার হাজার বাদুরের কিচির মিচির ডাকে মুখোরিত !


262 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া হাজার হাজার বাদুরের কিচির মিচির ডাকে মুখোরিত !
আগস্ট ৬, ২০১৭ ইতিহাস ঐতিহ্য কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
সাতক্ষীরার করারোয়া উপজেলার ছলিমপুর গ্রামটি হাজার হাজার বাদুরের কিচির মিচির ডাকে মুখোরিত হয়ে উঠে। এমনকি বাদুরের কিচির মিচির শব্দ আর কলকাকুলীতে ঘুম ভেঙ্গে যায় গ্রাম বাসির। বাদুরগুলো যেন গ্রামটিকে অভয়াশ্রম হিসেবে বেছে নিয়েছে। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কি. মি. দুরে ১১ নং দেয়াড়া ইউনিয়নের ছলিমপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের বাবু মাষ্টারসহ বিভিন্ন ব্যক্তির পাপড় গাছ ও বাঁশ ঝাড়ে অভয়াশ্রম হিসাবে বসবাস করছে বাদুর গুলো, বাদুরের কিচির মিচির শব্দে আর কলকাকুলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে গ্রামটি। এসব বাদুর স্বাচ্ছন্দ্যে গাছেগাছে বিচরণ এবং ঝাঁকে ঝাঁকে ডানা মেলে উড়ছে ইচ্ছামত। প্রায় এক শত বছর ধরে উপযুক্ত পরিবেশ ও নিরাপদ আশ্রায় নিয়ে বাদুর গুলো নির্ভাবনায় আবাস গড়ে তুলেছে। ছোট ছোট বাদুর বাচ্চাও দেখা গেছে বিশেষ করে সকালে সন্ধ্যায় কিচির মিচির শব্দে জানিয়ে দেয় তাদের সরব উপস্থিতি। বাদুরের কিচির মিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে চারি দিক, এই গ্রামের মানুষরাও প্রকৃতি প্রেমিক বাদুরের প্রতি ভালোবাসা থেকে বাদুর রক্ষায় নানা উদ্দ্যেগ নিয়েছেন তারা। গ্রামের ভিতরে বাদুর অভয়াশ্রম এলাকায় কোন গাছ কাটা ও উচ্চ শব্দে আওয়াজ করাও নিষেধ করেছে এলাকাবাসি। পাখির অভয় অরন্য বাঁশ বাগানের কয়েক জন মালিক জানান, কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ হলেও বাঁশ ঝাড় থেকে বাঁশ বিক্রি করে বছরে একটি নির্দিষ্ট সময় পার হতো। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে বাঁশ বিক্রি ও কাটা বন্ধ করে দিয়েছি তারা। কারণ বাঁশ ঝাড়ের বাঁশ কাটতে গেলে বাদুরের কিচির মিচির ডাক আর উড়া উড়ি তাদের মন খারাপ হয়ে যায়। লতিফা বেগম নামে এক গৃহবধু বলেন, বাদুরের বৃৃষ্টা নিয়ে কিছুটা সমস্যা হলেও এখন তাদের আর সমস্যা হয়না। বিষয়টি এখন সহনীয় হয়ে গেছে। গ্রামের সবাই পাখির প্রতি মমতাশীল, সন্ধ্যায় বাহিরে চলে যায় ভোরে বাসায় ফেরে যখন আকাশে উড়ে মনে হয় আকাশে মেঘ করেছে।
বাদুর দেখা ও ছবি তোলার জন্য ছলিমপুর গ্রামে এসেছিল নরসিংন্দি জেলা থেকে আগত আবু হানিফ বলেন, পাখির কলকাকুলিতে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন এক সঙ্গে এত বেশি বাদুর দেখার কখনও সৌভগ্য হয়নি। স্মৃতি ধরে রাখতে নিজ ক্যামেরাই ছবি তুলেছেন। তবে তিনি বাদুরগুলোকে নিরাপদ আশ্রয় ও রক্ষনাবেরক্ষনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের স-ুদিষ্টি কামনা করেন এই বাদুর প্রেমিক।