আশাশুনি সংবাদ : বুধহাটায় জলমগ্ন সদস্যদের মানববন্ধন


80 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ : বুধহাটায় জলমগ্ন সদস্যদের মানববন্ধন
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা মন্দির সড়কে পয়ঃ নিস্কাশন পথ বন্দের কারনে জলমগ্ন ৫০/৬০ পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। (মঙ্গলবার) বিকালে প্রতিবাদ মুখর মানববন্ধন চলাকালে ভুক্তভোগিরা তাদের দাবীর কথা উল্লেখ করে বক্তব্য পেশ করেন।

বুধহাটা বাজারের দক্ষিণ পাশে সুবর্ণ বণিক পাড়ার মানুষের বসবাস। সুদীর্ঘ কাল তাদের এলাকার পয়ঃ নিস্কাশন হয়ে এসেছে মেইন সড়কের পূর্ব পাশ দিয়ে ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সামনে দিয়ে কালভার্ট দিয়ে। এই সড়কের পাশে ভবন/স্থাপনা নির্মানের সময় অপরিকল্পিত ভাবে কাজ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনসেবা ক্লিনিক মালিক ডাঃ শাহিন আলম বিশাল অট্টালিকা নির্মান করে হাসপাতাল চালু করেছেন। নির্মান কাজের সময় অনেক বাধা বিপত্তি এসেছে। পাশের জমি অবৈধ দখল, নির্মান সামগ্রী ছাদ থেকে ফেলে গৃহের ক্ষতি সাধন করা এবং এলাকার পয়ঃ নিস্কাশন পথ বন্ধ করা ও হাসপাতালে বর্জ্য-দুর্গন্ধযুক্ত পানি এলাকায় ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।

এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগও করা হয়েছে। গতকাল সকালে মুষুলধারা বৃষ্টিপাতে এলাকার ৫০/৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। উঠান ভর্তি পানি, কারো কারো ঘরের মধ্যে পানি উঠার উপক্রম হয়েছে। অনেকের রান্নাঘর, হাঁস-মুরগির ঘর তলিয়ে গেছে। স্থানীয় দুর্গামন্দির জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।

পয়ঃ নিস্কাশন না হলে সেখানে পূজা অনুষ্ঠান অসম্ভব হতে পারে। উপরোক্ত অরাজকতার প্রতিকার দাবী করে ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। বক্তব্য রাখেন শ্যামলী দাশ, পরিমল দাশ, তপন দাশ, সৌমিত্র দেবনাথ, সঞ্জয় দে, সুশান্ত দত্ত, উর্মিলা বিশ্বাস প্রমুখ। এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পূজা বর্জনের ঘোষণা দেন।

এদিকে থানার দারোগা ফারুক হোসেন গতকাল ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় ক্লিনিক মালিক ডাঃ শাহিন জানান, তার ভবনের সামনে রাস্তার পাশে ড্রেন করা আছে। সেখান দিয়ে এলাকার পানি যাওয়ায় কোন বাধা নেই। সড়কের পাশ দিয়ে ড্রেন উম্মুক্ত করা হলে পয়ঃ নিস্কাশন সমস্যা থাকবেনা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থা নিস্কণ্ঠক করার জন্য অনুরোধ জানান হয়েছে।
##

আশাশুনিতে বজ্রপাতে নিহত-২

আশাশুনিতে বজ্রপাতে দু’জন নিহত হয়েছে। (মঙ্গলবার) ভোরবেলা উপজেলার কাদাকাটি ও খাজরা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ বড়দল গ্রামের মোক্তার মোল্যার পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (২৮) বর্তমানে কাদাকাটিতে বসবাস করেন। তিনি কাদাকাটির বাকখালী মৎস্য ঘেরের বাসায় ছিলেন। মঙ্গলবার ভোররাতে ঘেরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানতে পেরে মোবাইলে খবর দিলে ঘটনা জানাজানি হয়। এদিকে খাজরা ইউনিয়নের তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃৃত মঙ্গল মন্ডলের পুত্র ভজহরি মন্ডল (৫০) গতকাল সকালে তুয়ারডাঙ্গা বিলে মাছ ধরছিলেন। বজ্রপাতে ঘটনাস্থানেই তার মৃত্যু হয়।
##

হরিষখালী পাউবো বেঁিড়বাঁধ ভাঙ্গন আটকানো হয়েছে

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে খোলপেটুয়া নদীর হরিষখালী বেঁড়িবাঁধ ভাঙ্গন আটকানো হয়েছে। (মঙ্গলবার) প্রায় দু’হাজার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধটি আটকানোর কাজ করেন।

প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নদীর প্রবল জোয়ারের চাপে বাধ ভেঙে যায়। এতে প্রথমে হরিশখালি ও মাদারবাড়িয়া গ্রাম সহ ৪/৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এরপর শুক্রবার তালতলা ও প্রতাপনগর নামে আরো দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়। গত ৪ দিন সেখানে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙ্গনকবলিত বেড়িবাধ সংস্কারের কাজ করে মঙ্গলবার দুপুরে আটকানো সম্ভব হয়।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম, উপজেলা কৃষকলীগ আহবায়ক স ম সেলিম রেজা, আ’লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম মোল্যা, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও সুনিল কুমার এসময় উপস্থিত থেকে কাজ তদারকি করেন।
##