আশাশুনিতে আ’লীগ নেতাকে জবাই করে হত্যা


1059 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে আ’লীগ নেতাকে জবাই করে হত্যা
নভেম্বর ২০, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

॥ ইব্রাহিম খলিল ॥
————————
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কৈখালি গ্রামে হাওড়া নদীর বেড়িবাঁধের উপর এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সোমবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহতের নাম সুলাইমান আলী গাজী (৪৫)। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঝায়ামারি গ্রামের মৃত মোকছেদ গাজীর ছেলে।
ঝায়ামারি গ্রামের আয়েশা খাতুন জানান, তার স্বামী সুলাইমান আলী গাজী আশাশুনি উপজেলার বসুখালির বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৯৮ সালে কালিগঞ্জ উপজেলার বাবুরাবাদে ভুমিহীন আন্দোলনের সময় থেকে তিনি ঝায়ামারিতে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তিনি কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
স্ত্রীর অভিযোগ, কয়েক বছর আগে দেবহাটা উপজেলার দেবীশহর সোসাইটির ঝায়ামারির বিলের ১০৭ বিঘা জমি মনোরঞ্জন মুখার্জীর কাছ থেকে কেনেন বসুখালির অমেদ আলী , তার স্বামী ছলেমান, আব্দুর রশীদ, ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন। এনিয়ে ঝায়ামারির এলাকার ওহাব আলী পেয়াদার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দু’ বছর আগে দেওয়ানী মামলায় হেরে যাওয়ার পর ওহাব আলী পেয়াদা তার স্বামীকে ভালভাবে মেনে নিতে পারতো না। তাকে হত্যারও হুমকি দেওয়া হয় কয়েকবার। একারণে তার স্বামীকে হত্যা করা হতে পারে তিনি আশঙ্কা করছেন।
ঝায়ামারি গ্রামের আব্দুর রশীদ জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে সলেমান ও তিনিসহ কয়েকজন শোভনালী বাজারে সাহেব আলীর দোকানে ক্যারাম বোর্ড খেলছিলেন। এ সময় একটি মোবাইল থেকে কল আসায় তড়িঘড়ি করে সে বাড়ি ফিরছিলো। রাত প্রায় ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সুলাইমান আলী গাজীকে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে সোমবার ভোরে কৈখালী এলাকা থেকে তার জবাই করা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীদুল ইসলাম শাহীন জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। হত্যার কারণ জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি।
###