কলারোয়া সংবাদ ॥ প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র মতবিনিময় সভা


215 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়া সংবাদ ॥ প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র মতবিনিময় সভা
জানুয়ারি ১২, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’ র উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বৈদ্যপুর গ্রামে প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র নতুন অতিথি সহ.সম্পাদক সৌদি প্রবাসী মজনুর বাস ভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুলের সভাপতিত্বে প্রিমিয়ার ছাত্র সংঘ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মালেশিয়া প্রবাসী আফজাল ফুয়াদ অভির সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ডা.আমানুল্লাহ আমান, উপদেষ্টা ফরিদুজ্জামান ফরিদ খান, সহ.সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ নিয়াজ মোরশেদ প্রমুখ। সভায় জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে কলারোয়া বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতার জন্য একটি অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সমগ্র সভাটি সঞ্চালন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ সাহারিয়ার প্রান্ত। মতবিনিময় সভার পূর্বে প্রবাসী মজনুর বাসায় আয়োজিত এক প্রীতি মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন নেতৃবৃন্দ।
##

কলারোয়ার দুই চাকুরীজীবির নামে খাস জমি বন্দোবস্ত ॥ জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি বাজারে পেরীফেরীর আওতায় খাস জমিতে অব্যবসায়ীদের নামে দোকানঘর বন্দোবস্ত দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি ওই অব্যবসায়ীরা তাদের নামে খাস জমি বন্দোবস্ত নিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যত্রে হস্তান্তর করেছে বলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ওই বাজারের স্থায়ী ব্যবসায়ী ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের মৃত আছির উদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে রিজাউল ইসলাম বাদি হয়ে সম্প্রতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সুপারিশ নিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়,ওই বাজারে পেরীফেরীর আওতায় খাস জমিতে দোকানঘর বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। বন্দোবস্ত পাওয়া উপজেলার ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের ভৈরব সাহার ছেলে খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী সেকশন অফিসার পবিত্র সাহা ও মৃত শিবপদ সাহার মেঝ ছেলে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রামকৃষ্ণ সাহা ভুয়া তথ্য প্রদান ও জাল জালিয়াতি কাগজ পত্র তৈরী করে দুইটি দোকানঘর করার লক্ষ্যে খাস জমি তাদের নামে বন্দোবস্ত নিয়েছে। তারা কখনো ওই বাজারে ব্যবসা করতো না বা এখনও করে না। তারা বর্তমানে ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং সম্পর্কে তারা চাচা-ভাইপো দুইজনই খুলনাতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন।
অভিযোগে বলা হয়,এর আগে পবিত্র সাহার বাবা ভৈরব সাহা একই বাজারে একটি দোকানঘর বন্দোবস্ত নিয়েছিল। সেখানে কখনও তিনি ব্যবসা করেননি। ভাড়া দিয়ে গেছেন। গত দুই বছর আগে ওই দোকানঘরটি উপজেলার ওফাপুর গ্রামের মৃত করিম বকসের ছেলে জামাল দফাদারের নিকট এককালীন ৬ লক্ষ টাকা গ্রহন করে হস্তান্তর করেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। ভবিষ্যাতে তারা বাবার মতো মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বন্দোবস্তকৃত দোকান অন্যত্রে হস্তান্তর করতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এমনকি পবিত্র সাহা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া সরকারী অনুমতি বিহীন আরো দুইটি দোকানঘর নির্মান করেছেন। বর্তমানে ওই দুটি দোকানঘর দ্বিতলা বিশিষ্ঠ। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে নিজ নামে বন্দোবস্ত ও অবৈধভাবে দুটি দোকান নির্মান করেছেন।
অভিযোগে আরো বলা হয়, বর্তমানে ওই বাজারে সরকাারের ১,৫৬,০০০০০ (এক কোটি ছাপান্ন লক্ষ) টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। যার মধ্যে ৬টি চাঁদনী। চাঁদনীর পাশে ইউনিয়ন ভমি অভিস ও পুলিশ ক্যাম্পে যাতায়াতের একমাত্র গলিপথের উপর লোহার সিঁড়ি তৈরী করে দখলকৃত ওই দুটি দোকানের দ্বিতল ভবনে উঠা-নামা করা হচ্ছে। তাই অব্যবসায়ী পবিত্র সাহা ও রামকৃষ্ণ সাহার নামে বরাদ্দকৃত দোকানঘর বাতিল ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বন্দোবস্ত দিতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সু-দৃষ্টি কামনা করা হয়।
এ ব্যাপারে খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী সেকশন অফিসার পবিত্র সাহা বলেন, তারা ওই বাজারে ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে পাটের ব্যবসা করতেন। অবৈধভাবে কোন দোকানঘর নির্মান বা বন্দোবস্ত নেননি। যা করেছেন বৈধভাবেই করেছেন। বরং অভিযোগকারী রিজাউল ৪টি দোকানঘর অবৈধভাবে নির্মান করেছেন।
##

কলারোয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান
কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ::
সাতক্ষীরা-১ তালা-কলারোয়া আসনের এমপি এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ কলারোয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের দ্বিতল ভবন নির্মানে অনুদান দেওয়ায় একদোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুমআ নামাজ আদায়ের পর এ বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম মাওলানা তৌহিদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক শেখ তোজাম্মেল হোসেন মানিক, কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সহ-সম্পাদক মোস্তফা ফারুকুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব কাজী শামসুর রহমান,কলারোয়া পৌরসভার মেয়র গাজী আকতারুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সভাপতি শাহিন, অধ্যাপক আব্দুল আজিজ, ডা: নুর মোহাম্মাদ, অধ্যাপক আ: করিম, মসজিদের মোয়াজ্জিন মাওলানা আসাদুজ্জামান, মাস্টার নুর উদ্দিন, মাস্টার নুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনু, আলহাজ্ব শেখ ইকবাল হোসেনসহ মসজিদ কমিটির সকল সদস্য কর্মকর্তা সহ প্রায় দেড়শ মুছল্লিগণ।

##