সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলামের সংবাদ সম্মেলন


262 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলামের সংবাদ সম্মেলন
জানুয়ারি ১৬, ২০১৮ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ::
১৯৬৫ সালে রেজিস্ট্রি বিনিময়ের মাধ্যমে কালিগঞ্জের রায়পুর গ্রামের বেলপুর মৌজায় মোট জমি ৪.৪২ একর সম্পত্তি প্রাপ্ত হন কালিগঞ্জের মৌতলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম । এরপর থেকে দীর্ঘকাল যাবত উক্ত সম্পত্তিতে আমরা বসবাস করে আসছি বলে জানান তার ছেলে এসএম শফিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন ২০১৩ সালে তার পিতা মারা যাবার আগে উক্ত সম্পত্তি থেকে ২৭ শতক সম্পত্তি বঙ্ক রিশির ছেলে রাধা পদ রিশি, সুবোল রিশি, সুধর রিশি, অধর রিশির কাছে বিক্রয় করেন। একই সালে তার পিতার বিনিময়কৃত সম্পত্তি ভেলিড না হওয়ায় চলমান জরীপে এস এ মালিক ঠাকুর চাঁদ অধিকারী নামে মালিকানা অংশে রেকর্ড হয় এবং ৯ নং কলামে দখলীকার অংশে ০.২৭ শতক সম্পত্তিতে বিবাদীগনের নামে এবং অবশিষ্ট জমি পিতার নামে দখল নোট লিপিবদ্ধ হয়ে বি.এস ২৬নং খতিয়ানে লিপিবদ্ধ হয়ে মৌজার মুদ্রন প্রকাশিত হয়। তবে শুধুমাত্র টাইপ মিসটেকের কারনে এ্যারোচিহ্ন দিয়ে নির্দেশিত দাগটি না দেখানোর সুবাদে বিবাদী পক্ষ ভূমিদস্যুদের সহায়তায় আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখলীয় সম্পত্তির মধ্যে হাল ৫২ দাগ থেকে ০.৯০ শতক সম্পত্তি সম্পূর্ণ গায়ের জোরে দখল করে নেয়। এঘটনায় আমি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করি ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন ঋষি সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পত্তি দখল করার জন্য তারা বলে বেড়াচ্ছে আমরা নাকি তাদের ভারতে তাড়িয়ে দেবো,ধর্ষন, লুণ্ঠন করার হুমকি প্রদান করছি। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুর্বল অসহায় নিরীহ মানুষ হিসাবে সকলের কাছে উপস্থাপন করে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করার জন্য স্থানীয় কয়েকজন অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় মানববন্ধনসহ সাংবাদিকদের মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে একের পর এক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। অথচ উক্ত সম্পত্তির মধ্যে তারা ০.৯০ একর সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে। তারপরও তারা উক্ত সম্পত্তি পুরোটাই দখলের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া সাবেক মেম্বর আবু তাহের আমাদের সম্পত্তিতে ঘের ব্যবসা করতেন। ২০১৩ সালের পর থেকে তিনি উক্ত সম্পত্তিতে আসেন নি বা ঘেরও করেননি। কিন্তু ভূমিদস্যুদের সহযোগিতায় তারা উক্ত মেম্বরকে জড়িয়ে তিনি চাঁদাদাবি করেছেন, সরকার পরিবর্তন হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা তিনি ২০১৩ সালের পর থেকে উক্ত সম্পত্তিতে আসেননি। তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।

##