সাতক্ষীরায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা বিপু অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার


784 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা বিপু অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার
মে ১৬, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যক্ষ আশফাকুর রহমান বিপুকে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার সোনাবাড়িয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার নিকট থেকে উদ্ধার করা হয় একটি পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি। গ্রেফতার হওয়া বিপু (৪৮) কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের মৃত আলফার রহমানের পুত্র ও সোনাবাড়িয়া সোনারবাংলা ডিগ্রী কলেজের সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান বুধবার ওই তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, জামায়াত নেতা আশফাকুর রহমান বিপু সোনবাড়িয়া কলেজ এলাকায় অবস্থান করছে। পরে তার নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কলেজের সামনের রাস্তা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় একটি দেশীয় পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এর আগে তার বিরুদ্ধে ৯টি নাশকতার মামলা রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়- গ্রেফতারকৃত আশফাকুর রহমান বিপু ছাত্রজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের র্দূদর্ষ ক্যাডার ছিলেন। ১৯৯৫ সালে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে হাবিবুর রহমান হলের সামনে বোমা বিষ্ফোরণে তার একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন থেকে তিনি হাতকাটা বিপু নামে পরিচিত । অত্যন্ত তেজস্বী বক্তা হিসেবে পরবর্তীতে তিনি জামায়াতের কে›ন্দ্রীয় নেতৃত্বে পৌছে যান। বিগত ২০১৩-১৪ সালে কলারোয়া ও সাতক্ষীরাঞ্চলে সামনের সারিতে থেকে জামায়াত-শিবিরকে নেতৃত্ব দেন। সেসময় এ অঞ্চলে জামায়াত-শিবির কর্তৃক রাস্তাকাটা, গাছকাটা, ভাংচুর-অগ্নিসংযোগসহ ভয়াবহ নাশকতা-হত্যাযজ্ঞতায় তার নাম উঠে আসে।

সূত্রটি আরো জানায়- বিগত ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে সোনাবাড়িয়া সোনারবাংলা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ নেন আশফাকুর রহমান বিপু। নাশকতার মামলার পর কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়নি। এমনকি তিনি প্রাই-ই মাঝে মধ্যে স্বশরীরে কলেজে হাজির হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে যেতেন।