সাতক্ষীরায় তালাকপ্রাপ্ত পুত্রবধুর হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে শ্বাশুড়ির সংবাদ সম্মেলন


128 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় তালাকপ্রাপ্ত পুত্রবধুর হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে শ্বাশুড়ির সংবাদ সম্মেলন
মে ২১, ২০১৮ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
তালাক হয়ে যাওয়ার পরও সাবেক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের একের পর এক হয়রানি করার প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন কালিগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দ মধুসুধনপুর গ্রামের ভ্যান চালক মোসলেম মোড়লের স্ত্রী ফরিদা খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ফরিদা বলেন, তার ছেলে মাসুম বিল¬াহ ছোটনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কোমরপুর গ্রামের শেখ আব্দুল খালেকের মেয়ে খালেদা খাতুনের ২০১৪ সালের ১১ জুন ইসলামি শরীয়া মতে ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। ২০১৫ সালের পহেলা মার্চ তাদের মধ্যে তালাক হয়ে গেলে খালেদা বাদি হয়ে ছেলে মাসুম ও তার নামে ২০১৫ সালের ২২ জুন সাতক্ষীরা আদালতে যৌতুকের মামলা করে। মামলা করার পর হুমকি দেওয়ায় তিনি বাদি হয়ে ২০১৫ সালের ১০ আগষ্ট খালেদা, তার বাবা খালেক, মা ফতেমা ও প্রতিবেশি ফয়জার রহমান এর নামে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিবাদীরা আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা দেয়। ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর মামলা খারিজ হয়ে যায়। মামলা খারিজ হওয়ার পর খালেদা ও তার পরিবারের লোকজন তাদেরকে (ফরিদা) নানাভাবে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এরপরও যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে খালেদা ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করে তাদের বিরুদ্ধে। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি অভিযোগ খারিজ করে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান। এতে খালেদা ও তার স্বজনরা আরো বেশি ক্ষুব্ধ হয়। হুমকি ধামকি বাড়তে থাকে। বাধ্য হয়ে তিনি ২০১৭ সালের ১২ অক্টোবর খালেদাসহ চারজনের নামে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলার বিবাদী খালেদাসহ চারজন মুচলেকা দিয়ে অব্যহতি পায়। এরপর তারা আবারো বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদে একই বিষয়ের উপর অভিযোগ করে নতুন করে হয়রানির পরিকল্পনা করেছে। ২২ মে মঙ্গলবার ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছে। পূর্বের সকল কাগজপত্র দেখানোর পরও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজউদ্দিন কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
ফরিদাসহ তার পরিবারের সদস্যরা খালেদা ও তার পরিবারের সদস্যদের অহেতুক হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

##