কলারোয়ায় শেষ মুহূর্তে ঈদের বাজার জমে উঠেছে


190 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কলারোয়ায় শেষ মুহূর্তে ঈদের বাজার জমে উঠেছে
জুন ১৩, ২০১৮ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥
রোজার ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কলারোয়ার ঈদ বাজার। কলারোয়া পৌরসদরসহ উপজেলা ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন বিপণী বিতানগুলোতে বেচাকেনার ধুম পড়েছে। এবার এসব বিপনী বিতানগুলোতে নতুন নতুন বাহিরী ডিজাইনের পোশাক আকৃষ্ট করছে ক্রেতাদের। নানা বয়সের মানুষ নতুন পোষাক, জুতা, কসমেটিক্সসহ বাহারি পণ্য কিনতে ছুটছে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে প্রিয়জনের খুশি রাখতে কেনা কাটায় ব্যস্ত রয়েছে ক্রেতারা। এদিকে ক্রেতা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দোকানিরা। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে চলছে বিকিকিনি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার পৌর সদরের সবচেয়ে ব্যস্ত ঈদ মার্কেট রাসেল ফার্মেসী মার্কেট,সাবু মার্কেট, চেয়ারম্যান মার্কেট, মালেকা টাওয়ার, মার্কেট, আনিছ মার্কেট, কাপুড়িয়া পট্টি। এসব মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড়ে দোকানগুলোতে পা ফেলার জায়গা নেই। ক্রেতাদের আকর্ষণ করার জন্য বাহারি রঙের বৈচিত্র্যময় পোষাকে দোকানগুলো সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদ মার্কেট করতে আসা ক্রেতাদের বেশীর ভাগই কিশোর-কিশোরী ও তরুণ তরুণী। গরমে সুতি কাপড় দেহ ও মনে স্বস্তি দেয়। এ কারণে সুতি কাপড়ের চাহিদা অন্য কাপড়ের চেয়েও তুলনামূলক বেশী বলে জানান দোকানীরা।
এদিকে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, গত ঈদের চেয়ে এবার পোষাকের দাম বেশী।

উপজেলার কামারালী গ্রামের নাজনীন খাতুন বলেন, মার্কেটগুলোতে ইচ্ছেমতো দাম নেওয়া হচ্ছে। এ রকম পরিস্থিতিতে সবচেয়ে মুশকিলে পড়তে হচ্ছে আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের।

ইস্টুডেন্ট বস্ত্রলায়ে মফিজুল ইসলাম বলেন, দোকানভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ বেশী, পাইকারী মার্কেটে দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পোষাকের দাম একটু বেশী ধরা হয়েছে। ঈদের বাজারে রমণীদের পছন্দের বাহারি ডিজাইনের শাড়ির বিপুল সমাহার ঘটেছে শহরের বিভিন্ন দোকানগুলোতে।

গরমের কারণে তরুণীদের জর্জেটের চাহিদা কিছুটা কমেছে। ছেলেদের ফ্যাশনেবল শার্ট প্যান্ট ও পাঞ্জাবী বিক্রি বেশি হচ্ছে। জুতা ও কসমেটিক্সের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভীড়। হস্ত শিল্পের দোকানগুলোতে ক্রেতা সামলাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। এখানে ছেলেদের পাঞ্জাবী, ফতোয়া ও মেয়েদের ওয়ানপিছ, টুপিছ, থ্রিপিছ বেশী বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পছন্দের পোশাকের সাথে তাল মিলিয়ে কসমেটিক্স সামগ্রীও কিনছেন অনেকেই। বিপনী বিতান গুলোতে গত বছরের তুলনায় এবার বাহারি ডিজাইনের পোশাকের কালেকশন রয়েছে।
দোকানীরা জানান, সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। তীব্র গরমের হাত থেকে বাঁচতে ক্রেতাদের ভীড় সন্ধ্যার পরে বেশী। ঈদের কেনাকাটা করতে আসা মানুষদের কারণে শহরে তীব্র যানজট লেগেই থাকে। এতে করে শহরবাসী চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিফ্লব কুমার নাথ জানান, ঈদ বাজারে নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কেটগুলোতে সাদা পোষাকের পুলিশের নিয়মিত টহল রয়েছে। যাতে কোন প্রকাল অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।