কালিগঞ্জের চাঞ্চ্যকর শ্রমিক নেতা বাবু হত্যা মামলার অবিযোগ গঠন ২৫ জুলাই


255 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
কালিগঞ্জের চাঞ্চ্যকর শ্রমিক নেতা বাবু হত্যা মামলার অবিযোগ গঠন ২৫ জুলাই
জুলাই ৫, ২০১৮ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

ইব্রাহিম খলিল :
কালিগঞ্জ উপজেলার কঁকশিয়ালী গ্রামের পরিবহন শ্রমিক নেতা রাজু আহম্মেদ বাবু হত্যা মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে আগামি ২৫ জুলাই অভিযোগ গঠণের দিন ধার্য করা হয়েছে। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক অরুনাভ চক্রবর্তী এ দিন ধার্য করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ বাস টার্মিনালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’ গ্র“পে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে শ্রমিক নেতা রাজু আহম্মেদ বাবু মারা যান। আহত হন তার দু’ সহযোগি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজুর ও আব্দুর রহিম। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দিলে পুলিশ তা নেয়নি। উপপরিদর্শক হেকমত আলী বাদি হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে পরদিন থানায় একটি হত্যা মামলা(থানা মামলা নং- ৬৭/১৬) দায়ের করেন। মামলায় সুরতহাল প্রতিবেদনে স্বাক্ষরিত চারজনকে আসামী শ্রেণীভুক্ত করা হয়। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক অমল কুমার রায় ওই বছরের ২০ জুন ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এদিকে মামলায় নিরীহ লোকজনদের আসামী করা হয়েছে বিষয়টি জানতে পেরে নিহতের মা রহিমা খাতুন বাদি হয়ে ২০১৬ সালের ৫ মে সাতক্ষীরার আমলী আদালত-২ এ ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচারক ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। জ্যেষ্ট বিচারিক হাকিম হাবিবুল্লাহ মাহমুদ বাদিসহ সাতজনের জবানবন্দি গ্রহণের পর তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি ১৯জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশ দেন। বাদি ব্যতীত অপর ছয়জন সাক্ষী পুলিশের দায়েরকৃত অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত আসামী করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাড. লুৎফর রহমান বলেন, একই বিষয়ের উপর দু’টি মামলা হওয়ায় দু’টি নথি একসঙ্গে বিচারের জন্য আদেশ হলেও অজ্ঞাত কারণে জিআর মামলাটির কার্যক্রম বিচারিক আদালতে রয়ে গেছে। বিচার বিভাগীয় তদন্তের পর সিআর মামলাটি সেশন মামলায় রুপান্তরিত হয়ে (৮৬/১৮ নং) আগামি ২৫ জুলাই অভিযোগ গঠণের জন্য দিন আছে। একই মামলা দু’টি আদালতে বিচারাধীন থাকলে আইনি জটিলতায় অনেকেই উচ্চ আদালদে ফয়দা লুটতে পারেন। সেকারণে বিলম্বিত হতে পারে মামলার রায়।