তালার লাউতাড়া স্কুলের শিক্ষক ফারুক হোসেন’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ


558 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালার লাউতাড়া স্কুলের শিক্ষক ফারুক হোসেন’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
আগস্ট ১৩, ২০১৮ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

তালা প্রতিনিধি ::
তালার ৮৪নং লাউতাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. ফারুক হোসেন’র বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন, দায়িত্ব পালনকালে ব্যপক উন্নয়ন সাধিত করা সহ বেশ কিছু সফল কাজের জন্য হিংসাত্মক হয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
মো. ফারুক হোসেন জানান, সহাকারী শিক্ষক হিসেবে তিনি ২০০৯ সালে অত্র বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর ২০১৫ সালে তিনি ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন এবং চলতি ২০১৮ সালে বিদ্যালয়ে নতুন প্রধান শিক্ষক যোগদান করলে তাঁর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
ফারুক হোসেন জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাবার পর ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে স্লিপ অনুদানের ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা সহ বিভিন্ন সময় প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির সজ্জিতকরনের ১৫ হাজার টাকা, বাথরুম সংস্কারের ১৯ হাজার ৫০০ টাকা, ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ ৩০ হাজার টাকা, কনটিজেন্সির ১৮ হাজার টাকা এবং রুটিন মেইনটেনেন্স এর ৯ হাজার টাকা সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া যায়। এছাড়া বিদ্যালয়ের একটি পুকুর ৩ বছরের জন্য ২৭ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। পুকুরটি ইজারা দেবার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয়দের নিয়ে মিটিং করা হয় এবং তা রেজ্যুলেশনভুক্ত করে পুকুর ইজারা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ের জন্য সরকারি ভাবে যেসকল বরাদ্দ পাওয়া পাওয়া যায় তা ম্যানেজিং কমিটি, স্কুলের শিক্ষক সহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসারের সাথে আলোচনা করে ব্যয় করা হয়। ব্যয়কৃত অর্থ থেকে বিদ্যালয়ের জন্য স্লিং ফ্যান, আসবাবপত্র, শিক্ষা উপকরন, খেলার সরঞ্জাম, স্কুল ও বাথরুম সংস্কার, সাউন্ড সিস্টেম ক্রয়, নাম ফলক স্থাপন, বিস্কুটের কৌটা ও পানির ট্যাংক সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয় ও বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজে যথাযথ ভাবে ব্যয় করা হয়। এবিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সংশ্লিষ্ট ৩ বছরে পৃথক ভাবে পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন। অথচ দীর্ঘদিন পরে এসে একটি কূচক্রি মহল তাদের হীন স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য বিদ্যালয়ের কাজের মান, ব্যয়ের হিসাব নিয়ে নানান অপপ্রচার করে যাচ্ছে। এমনকি শিক্ষক ফারুক হোসেন’র চাকুরি ও দাম্পত্য জীবনের ক্ষতিসাধনের জন্য নানান ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের ব্যপক উন্নয়ন ও শিক্ষক হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জনের কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে একটি মহল এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে শিক্ষক ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন।
এবষিয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির তৎকালিন সভাপতি অমর আলী সরদার জানান, বিদ্যালয়ে যে সকল বরাদ্দ পাওয়া যায় তা সঠিক ভাবে খরচ করা হয়েছিল। এছাড়া শিক্ষক মো. ফারুক হোসেন’র বিরুদ্ধে যেসব কথা বলা হচ্ছে তার সব সাজানো এবং মিথ্যা কথা।

###