আশাশুনিতে চেয়ারম্যান ডালিমের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা


189 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে চেয়ারম্যান ডালিমের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা
আগস্ট ১৩, ২০১৮ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

*প্রতিকার দাবিতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ::
আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের মানুষের ভালবাসায় পরপর দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মো. আনারুল ইসলাম। তিনি কোনো রাজনীীতর সাথে জড়িত নন। অথচ তার বিরুদ্ধে জনৈক জান্নাতুল নাঈম বাপ্পী ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন একাত্তরের এক রাজাকার পুত্র সদ্য আওয়ামী লীগের মুখোস পরা খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান ধর্ষন ও হত্যা মামলার আসামি শাহনেওয়াজ ডালিম।
সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা বলেন আনারুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা রজব আলি, হাফিজুর রহমান, আবদুল আহাদ, রকিব হোসেন, ওমর ফারুক, শাহিন ইকবাল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রজব আলি ও শামসুল হুদার মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। শত বছরের অধিককাল দখলে থাকায় সেটলমেন্ট অফিস রজব আলিদের নামে রেকর্ড দেয়। পরে প্রতিপক্ষ খুলনা জোনাল অফিসে রিভিউ করে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্ট এক রিট পিটিশনের ভিত্তিতে ওই জমি রজব আলিদের অনুকূলে রায় প্রদান করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ হোসেন বলেন মুক্তিযোদ্ধা রজব আলি মোল্লার বর্তমান বাড়ি শ্রীকলস গ্রামে হওয়ায় তার জমিজমা চাষাবাদের দায়িত্ব দেন ফরহাদের বাবা মেম্বর আনারুল ইসলামকে। এই জমি চাষ করতে গেলে চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম তার সহযোগী লাঠিয়াল জাকির হোসেনসহ বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। সম্প্রতি ডালিমের প্রত্যক্ষ মদদে ও হুকুমে তারা তাদের মারপিট করে।

এর প্রতিকার দাবি করে ফরহাদ বলেন ডালিমের বাবা কুখ্যাত রাজাকার। তার বড় ভাই জেলা বিএনপি নেতা, অপর দুই ভাই জুলি ও বাচ্চু উপজেলা বিএনপি নেতা। তারা বাড়ির মধ্যে শহিদ জিয়ার নাম ব্যবহার করে মাদ্রাসা বানিয়েছে। হিন্দুদের জমি দখল, ঘের দখল, হত্যা, ধর্ষন, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত এই শাহনেওয়াজ ডালিম। তিনি ও তার পরিবারসহ এলাকার মানুষ ডালিম ও তার লাঠিয়াল বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

##