ইভিএম ক্রয় প্রকল্প একনেকে অনুমোদন


114 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ইভিএম ক্রয় প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বহুল আলোচিত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ক্রয় প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ প্রকল্পসহ অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

ইভিএম প্রকল্প সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, এ প্রকল্পের আওতায় তিন ধাপে দেড় লাখ ইভিএম কেনা হবে। মেশিন পরিচালনায় দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ৩ হাজার ১১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এ অর্থ যোগান দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হলেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। এর জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করার প্রয়োজন রয়েছে।

ধীরে ধীরে ইভিএম ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী— এ কথা জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, ইভিএম নিয়ে তাড়াহুড়া করার দরকার নেই। এক্ষেত্রে আগে প্রশিক্ষণ নেবে তারপর পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করতে হবে। ভোটে ইভিএমের যাতে কোনো অপব্যবহার না হয় সে বিষয়েও খেয়াল রাখতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, একনেক সভায় মোট ১২ হাজার ৫৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে আট হাজার ৮৪২ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিলে থেকে যোগান দেওয়া হবে ২৫৭ কোটি টাকা। এছাড়া বিদেশি ঋণ ব্যবহার করা হবে তিন হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা।

একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো— মীরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী স্থাপন, হাটহাজারী থেকে রাউজান পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, জামালপুর-মাদারগঞ্জ সড়ক প্রশস্তকরণ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের অবকাঠামো নির্মাণ, গোপালগঞ্জে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন, বরিশাল-পটুয়াখালী-ভোলা-ঝালকাঠি-বরগুনা-মাদারীপুর-শরীয়তপুর কৃষি উন্নয়ন, গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন, জাতীয় উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠা, শাহবাগ বেতার কমপ্লেক্স আগারগাঁওয়ে স্থানান্তর, খুলনা শহরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প।