আশাশুনি সংবাদ ॥ মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ


158 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ
অক্টোবর ৯, ২০১৮ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান ::
আশাশুনিতে বুনিয়াদি, সমৃদ্ধি ও অন্যান্য প্রকল্পভুক্ত সদস্য’র সন্তানদের মধ্যে ২০১৭ সলের এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানে অধ্যায়নরতদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাস্তবায়ন সহযোগি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা-সাস এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক হোসেন আলি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইউএনও মাফফারা তাসনীনের প্রতিনিধি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা’র প্রোগ্রাম অফিসার আবু মুছা, প্রকল্পের সমন্বয়কারী শাহ আলম, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ২৪ জন এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানে অধ্যায়নরত মেধাবী শিক্ষার্থীকে ১২০০০ টাকা করে ২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সাস এর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, শাখা ব্যবস্থাপক জি এম মাসুম বিল্লাহ ও বাবুলাল কুন্ডু উপস্থিত ছিলেন।
##

আশাশুনিতে কন্যা শিশু ও বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনিতে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস-২০১৮ ও বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস-২০১৮ উপলক্ষে র‌্যালী, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দায়সারা গোছের অনুষ্ঠানে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর দিবস পালনের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেও তা ছিল নিতান্ত লোক দেখানো এবং দায়সারা গোছের। মানববন্ধন সড়কের উপর করার কথা থাকলেও করা হয়েছে, উপজেলা পরিষদের মধ্যে ইউএনও অফিসের সামনের অভ্যান্তরিন রাস্তায়। স্থায়ীত্বকাল ছিল মাত্র ১০/১৫ মিনিট। র‌্যালী বের করা হলেও সেটি ছিল মাত্র এক দেড় শত হাত পথচলা। ইউএনও অফিসের সামনে থেকে শুরু হয়ে ফুল বাগানের পাশ দিয়ে ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। বলতে গেলে ফটো সেশনের মত। আলোচনা সভা ইউএনও অফিসের ঢোকার পথের মুখেই করা হয়। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার কচি, সাংবাদিক এস এম আহসান হাবিব ও শিক্ষক আলমগীর হোসেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
##

শোভনালী ইউনিয়নের ৩৯০ শ্রমিক ৩ মাসেও টাকা পায়নি

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের ৩৯০ জন কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিক ৩ মাসেও তাদের মজুরির টাকা পায়নি। মজুরি বঞ্চিত শ্রমিকরা মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে দেখা করতে উপজেলায় গমন করে সাংবাদিকদের কাছে তাদের অভিযোগের কথা জানান।
শ্রমিক বসুখালী গ্রামের আফান আলী সরদার, শালখালী গ্রামের শফিক গাজীর স্ত্রী মোমেনা, কামালকাটি গ্রামের অশোক বাছাড়ের স্ত্রী সাবিত্রীসহ বহু শ্রমিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস বিল্ডিং-এ দাড়িয়ে বলেন, তারা গত রমজান মাসের আগে-পরে পূর্ণ সময় কাজ করেন। এসময় তারা বসুখালী রাস্তা ও কামালকাটি খালে কাজ করেছিলেন। তাদের মাষ্টার রোলও কাজের সরদার কামালকাটি গ্রামের নুরু গাজীর পুত্র ছাদেক ও সুপারভাইজার গোদাড়া গ্রামের সাদেক এর মাধ্যমে উপজেলায় জমা দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও তাদের মজুরীর টাকা দেওয়া হয়নি। একাজের আগের ১০০০ টাকা করে এবং বর্তমান কাজের ৮০০০ টাকা করে মোট ৯০০০ টাকা করে প্রত্যেক শ্রমিকের পাওনা রয়েছে বলে তারা জানান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, এক গ্রাম পুলিশ ও জনৈক মেম্বারের মধ্যে বিরোধের জের ধরে উদ্ভুত পরিস্থিতির কারনে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মজুরীর টাকা বন্ধ হয়ে আছে। ফলে শ্রমিকরা টাকা না পেয়ে জন প্রতিনিধি, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে হাটতে হাটতে হাফিয়ে উঠেছে। শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক ম মোনায়েম হোসেন বলেন, ইউএনও মহোদয় রিপোর্ট জেলা প্রশাসক বরাবর (ত্রান শাখা) পাঠিয়েছেন। আমি সেখানে গিয়েছিলাম, তারা জানিয়েছেন কাগজপত্র রেডি করা হচ্ছে, ডিসি স্যারের স্বাক্ষর হলেই টাকা ছাড় হয়ে যাবে।
##

আশাশুনি প্রেসক্লাবে ভূমিদস্যু সামাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
কুল্যা ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী ভূমিদস্যু আঃ সামাদ কর্তৃক সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র প্রতিকারের দাবীতে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের ভবনাথ মন্ডল জানান, কচুয়া মৌজায় এসএ ৪৯৯ খং, সাবেক ১৯১৯, হাল ৪৩৯২ দাগে ৩৬ শতক ভিটাবাড়ি তার মা সুশীলা রানী মন্ডলের মাসী ভুন্দি বেওয়ার বসতবাড়ি। ভুন্দির কোন সন্তানাদি না থাকায় ভবনাথের মা ও পরবর্তীতে তিনি খাওয়া পরা, চিকিৎসা সবকিছু করেছেন এবং জমি চাষাবাদসহ রক্ষনাবেক্ষন করেন। ভুন্দির মৃত্যুয়ান্তে শ্রাদ্ধ শান্তিসহ সকল ক্রিয়াদি তিনি করেছেন। হিন্দু আইন মোতাবেক তার মা সুশীলা, ভুন্দির ওয়ারেশ হওয়ায় তিনি ও তার দুই ভাই দীর্ঘ ৩০ বছর উক্ত জমির খাজনাদি পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে থাক্কাালীন উক্ত জামাত নেতা সামাদ ঐ জমি আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে জমি জবর দখলের চেষ্টা এবং তার (ভবনাথ) স্ত্রীসহ পরিবারের লোকদেরকে মারধর করেন। তিনি আইনের আশ্রয় নিলে কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ভুন্দির ওয়ারেশ হিসাবে তাদের পক্ষে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে জামাত নেতার ভাই প্রভাবশালী মেম্বারের কারণে এবং চেয়ারম্যান নিজে বিএনপি জোটভুক্ত হওয়ায় পরে অনীল মন্ডলসহ অন্যদের নামে আরেকটি ওয়ারেশ কায়েম প্রদান করেন। সুয্গো সন্ধানী সামাদ ওয়ারেশ কায়েম সনদ কাজে লাগিয়ে মিউটিশান করে উক্ত জমি ২৭/৭/১৬ তাং নিজের স্ত্রীর নামে রেজিঃ কোবালা করে নেন। ভবনাথ নাম জারির বিরুদ্ধে ১৫০ ধারায় বিজ্ঞ সহকারী কশিনার (ভূমি) আদালতে ১/২০১৬-১৭ নং মিস কেচ করেন। তখন ওয়ারেশ সম্পর্কে পুনঃ তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের ৮ জন মেম্বার তদন্ত শেষে দেওয়া ওয়ারেশ কায়েম (অনীল দিংদের পক্ষে) জাল-তঞ্চকী এবং প্রথমোক্ত (ভবনাথ দিং পক্ষে) ওয়ারেশ কায়েমটি সঠিক বলে মতামত প্রদান করেন। যার ভিত্তিতে এসি (ল্যান্ড) ২৬/৪/১৭ তাং পূর্বের (অনীল দিং) নাম জারি বাতিল করেন। তাছাড়া অনীল দিং সামাদের স্ত্রীর নামে জমি রেজিঃ কোবালা করে দেওয়ায় তারা নিঃস্বর্তবান হয়েছেন। সেহেতু উক্ত সামাদ গাজী হিন্দুদের ভিটাবাড়িতে ঢুকে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য ৪/৯/১৮ তাং তিনি (ভবনাথ) আশাশুনি থানায় জমাজমি সংক্রান্ত বিষয়ে আবেদন করলে উভয় পক্ষকে ১৫/৯/১৮ তাং উপস্থিত হতে নোটিশ করেন। সেখানে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও ইউপি সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে শালিস সভার মাধ্যমে বিষয়টি শান্তিপূর্ণ নিস্পত্তি করা হয়। কিন্তু ধূর্ত সামাদ হিন্দু সম্প্রদায়ের পৈত্রিক ভিটেবাড়ি আত্মসাৎ করতে আদিত্য গংদের ব্যবহার করে ৫ অক্টোবর বাড়িতে ও ৭ অক্টোবর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে মিথ্যা, ভুয়া ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ সম্মেলন করেন। যেখানে মিথ্যা তথ্যদিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা এবং ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আঙ্গুরসহ গন্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অজ্ঞ, অশিক্ষিত ব্যক্তিদের ব্যবহার করে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি উক্ত সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং সামাদ গাজীর অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এসময় পূজা উদযাপন পরিষদের সেক্রেটারী রণজিৎ কুমার বৈদ্য, মেম্বার আঙ্গুর, বিশ^নাথ সরকার ও উত্তম দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
##

বুধহাটায় শ্রমিকলীগের আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় ১২ অক্টোবর জাতীয় শ্রমিক দিবস পালনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে বুধহাটা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি হাতেম আলির সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, নব গঠিত উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ঢালী মোঃ সামছুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপসিন্থত ছিলেন উপজেলা সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিপুল, উপজেলা তাঁতীলীগ সভাপতি এম এম সেলিম রেজা, যুবলীগ নেতা এজদান আলী, শ্রমিকলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক আঃ সামাদ, আঃ আজিজ, আমিরুল ইসলাম, নমিজ উদ্দিন সরদার, কামরুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম, তুহিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, মোজাম গাজী, আবুল কালামসহ শ্রমিকলীগ, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আশাশুনি নব-গঠিত কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় জেলা কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারীকে বুধহাটা ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন।
##

বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি সুরঞ্জন ঢালীর সভাপতিত্বে সভায় ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্যা, তরুন কান্তি সানা, আঃ রহমান ফকির, রশিদ মেম্বার, শফিকুল ইসলাম, সুব্রত মাষ্ট্রা, রনজিৎ মিস্ত্রী, লিয়াকত আলি, আমজাদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মাস্টার সুখেন্দু, রফিকুল ইসলাম ও আলমগীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
##